চিলাহাটি-হলদীবাড়ী রেললিঙ্ক পরিদর্শনে ভারতের দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার




 ইনজামাম-উল-হক নির্ণয় ও এ আই পলাশ--ভারতের দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহম্মদ ইমরান বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যে স¤পর্ক তা আরও গভীরতর হচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার(১ ডিসেম্বর/২০২০) বিকাল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশের নীলফামারী চিলাহাটি ও ভারতের কোচবিহারের হলদীবাড়ী পর্যন্ত নবনির্মিত রেললিঙ্ক  পরিদর্শন কালে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

মুহম্মদ ইমরান বলেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ভারতের কোচবিহার,জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং এর সঙ্গে বাংলাদেশের আত্নিক স¤পর্ক। এখন যা আরও গভীর হচ্ছে। ভারতের সঙ্গে বিভিন্নভাবে অবকাঠামোগত দিক থেকে বাংলাদেশ একসঙ্গে হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের (পূর্বোক্তর ভারত) সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন সুবিধায় দুই দেশের চিলাহাটি-হলদীবাড়ি রেলপথ  নির্মাণ করা হয়েছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর  এ পথে চলতি মাসেই (ডিসেম্বর) পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হবে। এতে উভয় দেশ উপকৃত হবে। দুই দেশের মানুষের চলাচল বাড়বে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ স¤পর্ক আরও উন্নয়ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে আমদানি-রফতানি, নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি নিশ্চিত করণসহ সীমান্ত বর্তীবর্তী সব ধরনের সমস্যা-সম্ভাবনা নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য সীমান্তবর্তী অঞ্চল ও স্থলবন্দরগুলো পরিদর্শন করছি। মাঠ পর্যায় থেকে সংগৃহীত অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশ-ভারত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত এবং সুপারিশমালা দুই দেশের সরকারের কাছে তুলে ধরবো। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে শান্তি-সংহতি, নিরাপদ বাণিজ্য ও নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তিনি সকলের সংশ্লিষ্টতা ও সহযোগিতা কামনা করেন।


এর আগে দুপুর সোয়া দুইটায় তিনি ভারতের হলদীবাড়ী রেলস্টেশন হতে বিশেষ একটি রেলেরট্রলিতে নবনির্মিত রেললিঙ্ক সীমান্ত ফটক দিয়ে তার সহধর্মীনী সহ বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করেন।



এলাকায় পৌঁছালে সেখানে নীলফামারী জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী, ৫৬ বিজির অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মামুনুল হক,পশ্চিমাঞ্চল রেলের চিলাহাটি রেলপথ নির্মাণের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী আবদুর রহীম  তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এরপর মুহম্মদ ইমরানকে বাংলাদেশের বিশেষ গ্যাংকার ট্রলিতে চিলাহাটি রেলস্টেশন পরিদর্শনে নিয়ে আসা হয়। চিলাহাটি রেলষ্টেশন পরিদর্শন শেষে তিনি বিকালে পুনরায় একই পথে ভারতে ফিরে যান। ভারত এলাকায় তার সঙ্গে ছিলেন কোচবিহারের এডিএম হিমাদ্রি সরকার,উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের চিফ ইঞ্জিনিয়ার জেপি সিংহ,৬২ বিএসএফ কমান্ডার সহ প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতের উত্তরবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা 

পরিদর্শন করে সে স¤পর্কে খোঁজ নিতেই বাংলাদেশের হাইকমিশনার উত্তরবঙ্গে সফর। তিনদিনে এই সফরে তিনি ভারতের উত্তরবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের সংযুক্ত শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি-বাংলাবান্ধা, চেংড়াবান্ধা-বুড়িমারী স্থলবন্দর ও হলদীবাড়ি-চিলাহাটি নবনির্মিত রেলপথ পরিদর্শন করছেন। 

উল্লেখ যে প্রায় ৫৫ বছর পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথ আবারও চালু হচ্ছে।বাংলাদেশের চিলাহাটি ও ভারতের হলদিবাড়ি হয়ে পুরোনো যে রেললাইনটি ছিল, সেটা ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের সময় বন্ধ হয়ে যায়।#


পুরোনো সংবাদ

প্রধান খবর 964188825391243649

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item