দূর্বৃত্তদের হামলার শিকার ব্যবসায়ী আরিফকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকা স্থানান্তর॥


ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়,,নীলফামারী॥
দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রে মাথা সহ মুখমন্ডল ক্ষত বিক্ষত নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বিশিষ্ঠ কাপড় ব্যবসায়ী শাহ্ আরিফ চৌধুরী (৩৮) মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। তার অবস্থা আশংঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে আজ শনিবার(২৬ ডিসেম্বর/২০২০) সকাল ৯টায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় রংপুরের চিকিৎসকদের পরামর্শে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, ধারালো আস্ত্রের এলোপাথারি কোপে তার মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরন হয়েছে এবং শরীরের একপাশ অবশ হয়ে গেছে। তাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

গতকাল শুক্রবার(২৫ ডিসেম্বর) ভোরে ফজরের নামাজের পর রাস্তায় হাটাহাটির সময় হাসপাতাল সড়কে কয়েকজন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত আরিফ চৌধুরীকে হত্যার চেষ্টায় এলোপাথারিভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে। এরপর থেকে আরিফের এখনও জ্ঞান ফিরেনি। 

এদিকে দুর্বৃত্ত কর্তৃক জলঢাকা শহরের বিশিষ্ট কাপড় ব্যবসায়ী আরিফ চৌধুরীর উপর বর্বরোচিত হামলার হামলা ও হত্যার চেষ্টার প্রতিবাদের ঘটনায় জলঢাকায় সকল স্থরের ব্যবসায়ীরা ফুঁসে উঠেছে। আজ শনিবার কাপড় ব্যবসায়ী মালিক সমিতির আয়োজনে সকল স্থরের ব্যবসায়ীরা সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত দুই ঘন্টা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে উপজেলা শহরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে। 

এসময় পোশাক ব্যবসায়ী লিয়াকত হোসেনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আহত আরিফ চৌধুরীর বড়ভাই শাহ আবু বক্কর চৌধুরী, ব্যবসায়ী তমিজ উদ্দিন, পোশাক ব্যবসায়ী মশিউর রহমান বাবু,  হাফিজুর রহমান প্রমুখ। 

মানববন্ধনে বক্তারা দ্রুত অপরাধীরে চিহিৃত করে গ্রেফতার ও আইনের আওতায় নেওযার দাবী জানান। 

এবিষয়ে জলঢাকা থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পুলিশ অপরাধীদের চিহিৃত করার জন্য মাঠে নেমেছে। সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আমরা দ্রুত জড়িতদের চিহিৃত করে গ্রেফতার করতে সক্ষত হব বলে জানান ওসি। 

উল্লেখ যে, গতকাল শুক্রবার ভোরে (ফজর বাদ ৫.১০ মিনিট) উপজেলা হাসপাতাল সড়কে হাটাহাটি করার সময় জলঢাকা পৌরসভার মেডিকেল মোড় টিএনটি পাড়ার মৃত ইসলাম উদ্দিন চৌধুরীর ছেলে শাহ  আরিফ চৌধুরীকে মুখোশধারী সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী নুর ইসলাম জাকির হোসেন ও আমিনুর রহমান দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিয়ে আরিফকে উপজেলা হাসপাতালে ও পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেছিল। 

আরিফের স্ত্রী আইভি আক্তার জানান, আমার স্বামীর জ্ঞান এখনও ফিরেনি। হামলাকারীরা তার মাথা সহ শরীরের বিভিন্নস্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেছে। তিনি অভিযোগ করে জানান পূর্ব শক্রতার জের ধরে প্রতিপক্ষরা এটি ঘটনাতে পারে। তিনি বলেন আমার স্বামীকে আজ শনিবার সকাল ৯টায় রংপুর মেডিকেল থেকে চিকিৎসকের পরামর্শে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমার স্বামীর উপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি করেন তিনি। #


পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 6917243126036621181

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item