কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ডোমারে এস,এস,সি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

আবু ফাত্তাহ্ কামাল (পাখি),স্টাফ রিপোর্টার ঃ কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারনে পরীক্ষা দেওয়া হল না ডোমার উপজেলার মাহিগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ের এস,এস,সি পরীক্ষার্থী তৃষ্ণা রায়ের । আজ রবিবার (২রা ফেব্রুয়ারী) দুপুরে প্রবেশপত্রে বানিজ্য বিভাগের বিষয়গুলি না এসে মানবিক বিভাগের বিষয়গুলি আসায় আত্মহত্যা করেছে ওই এস,এস,সি পরীক্ষার্থী ।এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে ।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বোড়াগাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম রিমুন জানান,আমি খবর পেয়ে দ্রুত এসে শুনলাম, মেয়েটি মাহিগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ে এবারে এস,এস,সি পরীক্ষার্থী ।আজ বিদ্যালয়ে বিদায় অনুষ্টানের পর তাকে  প্রবেশপত্র দেওয়া হয় ।
মেয়েটি তখন জানতে পারে ,সে বানিজ্য বিভাগে পড়লেও প্রবেশ পত্রে মানবিক বিভাগের বিষয়গুলি এসেছে ।সে দ্রুত বাড়িতে এসে নিজঘরে গলায় ওড়না পেচিয়ে ঘরের সরে ঝুলে আত্মহত্যা করে । এ সময় তার বাবা কাজে বাহিরে ছিল ,মা বাশেঁর মুরা উঠানো জন্য বাড়ির বাহিরে ছিল ।মেয়েটির বাবা একজন দিনমজুর ।অনেক কষ্ট করে পড়াশুনা করছিল ।এলাকাবাসী এর বিচার চায় ।
মাহিগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, আমি মাত্র আট মাস হল বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছি ।এর আগে যিনি প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহকারীর দায়িত্ব পালন করেছে ,তাদের অবহেলার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে ।কারণ রেজিষ্ট্রেশন তখন হয়েছে ।তারা যদি সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করে রেজিষ্ট্রেশন করত তাহলে এ দুঃঘটনা ঘটত না ।আমি মেয়েটিকে বলেছি,আবশ্যিক বিষয়গুলি এখন পরীক্ষা  দেও,বানিজ্য বিভাগের বিষয়ের পরীক্ষাগুলি তো ১৮,১৯,২২ তারিখে ,এর মধ্যে দ্রুত বোর্ডে গিয়ে এগুলি আমি  ঠিক করে দিব ।কিন্ত মেয়েটি বাড়িতে গিয়ে আত্মহত্যা করেছে ।ঘটঁনাটি অবশ্যই দুঃখজনক ।
 এ ব্যাপারে ডোমার থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তাফিজার রহমান জানান, লাশের পরিবার এলাকাবাসীর কাছে কর জোরে ক্ষমা চাচ্ছে ,লাশ না কাটার জন্য ।লাশ সৎকারের ব্যবস্থা চলছে ।ডোমার থানায় একটি ইউডি মামলা হচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাকেরিনা বেগম জানান, রেজিষ্ট্রেশনের সময়  বিষয় উল্লেখ থাকে । তবে ধাপে ধাপে সে গুলি পরিবর্থনের সুযোগ আছে ।এখন শিক্ষাবোর্ড অনেক লিবারেল ।যে কোন সমস্যা তাৎক্ষনিক সমাধান করে দেয় ।উনি আমাদের জানাননি ।
এ ব্যাপারে উপজেলা নিবার্হী অফিসার শাহিনা শবনব জানান, আমি একটি মিটিং এ আছি, কিছুক্ষনের মধ্যে যাচ্ছি ।আমি ওসিকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলেছি । আগের প্রধান শিক্ষককের  বিষয়টিও দেখছি ।
উল্লেখ্য,তৃষ্ণা রায় উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের দোদিপাড়ার দিনমজুর দুলাল রায়ের মেয়ে ।এবার দিনাজপুর বোর্ডে এস,এস,সি পরীক্ষার্থী ছিল ।


পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 7569853944416241091

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

কৃষিকথা

ফেসবুক লাইকপেজ

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item