নীলফামারীতে মাদ্রাসা শিক্ষককে লাঞ্চিত প্রতিবাদে মানববন্ধন

ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়,নীলফামারী ২৮ নভেম্বর॥ নীলফামারী সদরের লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের দুবাছুরি দাখিল মাদ্রাসার চারতলঅ ভবন নির্মানে নি¤œ মানের বালু ব্যবহারের অভিযোগ তুলায় শিক্ষক জগদীশ চন্দ্র রায়কে লাঞ্চিত করেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন।
ওই শিক্ষক লাঞ্চিতের ঘটনার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার(২৮ নভেম্বর) বিকালে মাদ্রাসার সামনের সড়কে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করেছে শিক্ষক, অভিভাক ও শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধন শেষে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মাদ্রাসার সভাপতি ও লক্ষ্মীচাপ ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তৃতা দেন মাদ্রাসার সুপার এম এ মোমেন, সহকারী সুপার কামাল হোসেন, শিক্ষক আব্দুল আজিজ আনছারী, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. সুজা আলী, অভিভাবক আইয়ুব আলী, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত রায় প্রমুখ।
বক্তারা শিক্ষক লাঞ্চিতের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
তাদের অভিযোগ, নি¤œমানের বালু দিয়ে ওই মাদ্রাসার চারতলা একটি বভনের নির্মান কাজ করছে সাইকী বিল্ডার্স নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। গতকাল বুধবার(২৭ নভেম্বর) দুপুরে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক জগদীশ চন্দ্র রায় সেটির প্রতিবাদ করলে তাকে বেধরক মারপিট করেন ঠিকাদরী প্রতিষ্ঠানের লোকজন। এ ঘটনায় শিক্ষক জগদীশ চন্দ্র রায় বাদী হয়ে গতকাল বুধবার রাতে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
শিক্ষক জগদীশ চন্দ্র রায় বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলাকালে অন্যান্য শিক্ষকের উপস্থিতিতে নির্মানকাজে নি¤œমানের বালু ব্যবহার না করার অনুরোধ জানাই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজনকে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাইকি বিল্ডার্সের ব্যবস্থাপক মিঠু দে(৩৮), মিস্ত্রি আউয়াল মোল্লা(৪০), আব্দুল হাকিম(২৫), সহকারী ব্যবস্থাপক মো. লিপন(২৬) আমাকে বেধরক মারপিট করেন। সহকর্মীরা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়।
সাইকী বিল্ডার্সের ব্যবস্থাপক মিঠু দে(৩৮) অভিযোগের অস্বীকার করে বলেন, শিক্ষক জগদীশ চন্দ্র রায় দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ শ্রমিক আউয়াল মোল্লার কাছে চাঁদা দাবী করে আসছেন। চাঁদা না পেয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি প্রদর্শণ করেন। তিনি মিথ্যা অভিযোগ তুলে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। নির্মাণ শ্রমিকদের সাথে তার কথা কাটাকাটি হয়েছে, মারডাঙ্গের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
এ বিষয়ে নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. মোমিনুল ইসলাম বলেন, দুবাছুরী দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক জগদীশ চন্দ্র রায় এ ঘটনায় গতকাল বুধবার রাতে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের তদন্ত চলছে।
উল্লেখ্য, শিক্ষা প্রকৌশলের অধীনে তিন কোটি ২৬ লাখ পাঁচ হাজার ৫১৩ টাকা ব্যয়ে চারতলা ওই ভবনটির নির্মান কাজ চলছে। কাজটি বাস্তবায়নে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সাইকী বিল্ডার্স। #


পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী সদর 3088719687877054881

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

শিল্প-সাহিত্য

ফেসবুক লাইকপেজ

তারিখ অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item