হরিপুরে অসময়ে মাচায় তরমুজ চাষে সফল কৃষক


জে.ইতি হরিপুর ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার বকুয়া বটতলা দুলালপাড়া গ্রামে অসময়ে মাচায় তরমুজ চাষে সফল কৃষক গিয়াসউদ্দিন বাবু, পরিদর্শন করলেন কৃষি অফিসার মারুফ হোসেন ।

 তিনি ২৫ শতক জমিতে ব্লাক বেরি জাতের এই তরমুজের চাষ করেন। অসময়ে উৎপাদন হওয়ায় এ তরমুজ বিক্রি করে ভাল দামও পেয়েছেন তিনি। ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করে এ পর্যন্ত গিয়াসউদ্দিন বাবু ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা আয় করেছেন। এদিকে সফল এ কৃষককে উৎসাহ সাবিক সহযোগিতা দিতে আজ ১৮ নভেম্বর বুধবার সকালে তার তরমুজের মাঠ পরিদর্শন করেছেন হরিপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মারুফ হোসেন। 


গিয়াসউদ্দিন বাবু জানান, অসময়ে চাহিদা থাকায় ক্রেতারা মাঠ থেকেই তরমুজ কিনে নিয়ে যান। তিনি আরও জানান, ২৫ শতক জমিতে তরমুজ চাষ করতে তার মোট খরচ হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা। খরচের থেকে যে লাভ হয়েছে তাতে বেজায় খুশি গিয়াসউদ্দিন বাবু। লাভের পরিমাণ বেশি হওয়ায় তিনি আগষ্টের মাঝামাঝি সময়ে এবার ব্লাক বেরি জাতের তরমুজের বীজ বপন করেছেন ২৫ শতক জমিতে। সেপ্টেম্বরের মধ্যেই খাবার উপযোগী হয় এ তরমুজ। ব্লাক বেরি জাতের তরমুজ চাষে আরও বেশি লাভ করবেন বলে আশা করছেন তিনি।


 হরিপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মারুফ হোসেন জানান, চাষি গিয়াসউদ্দিন বাবু আগষ্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে ব্লাক বেরি জাতের তরমুজের বীজ বপন করেন। বীজ বপনের আগে জমিতে চাষ-মই এবং সার দিয়ে জমিটি ৪ ফুট চওড়া মাচা দেন এবং বেড ও ড্রেন তৈরি করেন। এরপর ৫ বাই ৩ ফুট পর পর বীজ বপন করে যত্ন সহকারে পরিচর্যা করতে থাকেন। পরবর্তীতে গাছ একটু বড় হয়ে উঠলে বাঁশের বাতা এবং সুতা দিয়ে মাচাও তৈরি করেন।


 ২ মাসের মাথায় তার ফল খাবার উপযোগী হয়ে যায়। অসময়ের এ তরমুজ খেতে বেশ মিষ্টি ও সুস্বাদু হওয়ায় ভোক্তাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হবে এ তরমুজ। মারুফ হোসেন আরও জানান, আগাম জাতের তরমুজ চাষে এ উপজেলার অন্যান্য কৃষকদেরও আহ্বান জানান।


পুরোনো সংবাদ

হাইলাইটস 7046019065808623889

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item