কিশোরগঞ্জে হামলার ঘটনায় দায়েরকরা মামলার আসামী গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন


মোঃ শামীম হোসেন বাবু,কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) সংবাদদাতা॥
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় হামলার ঘটনায় দায়েরকরা মামলার আসামী গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার কালিকাপুর চৌধুরীপাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে ওই সংবাদ সম্মেলন করেন মামলার বাদী ডলি চৌধুরী ও তার পরিবারের সদস্যরা। 

সংবাদ সম্মেলনে ডলি চৌধুরী বলেন, গত ৬ নভেম্বর সকালে প্রতিবেশী আহসান হাবিব দুলালের নেতৃত্বে তার লোকজন আমাদের পৈত্রিক ৪৫ দশমিক ৫০ শতক জমিতে জোরপূর্বক ভুট্টা ক্ষেত নষ্ট করে দখলের চেষ্টা চালায়। এসময় বাধা দিতে গেলে ধারালো অস্ত্রের হামলায় আমি ও আমার স্বামী মাসুদ রানাসহ চার জন আহত হয়। আমি প্রাথমিক চিকিৎসায় সুস্থ হলেও গুরুত্বর অবস্থায় আমার স্বামী মাসুদ রানাসহ অপর আহতরা রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এঘটনার পর ওই রাতে আহসান হাবিব দুলালসহ ১৪ জনের নামে কিশোরগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিশ কোন আসামী  গ্রেপ্তার করেনি। আসামীরা বাইরে থাকায় আবারও হামলাসহ প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করছেন। 

মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বলেন, থানায় অভিযোগ দায়েরর এক সপ্তাহ পর গত ১৩ নভেম্বর রাতে আমার মামলাটি রেকড করেছে পুলিশ। ওই মামলা রেকডের চার দিন অতিবাহিত হলেও আসামী গ্রেফতারের পুলিশের ভূমিকা আমাকে হতাশ করেছে। এখন উল্টো হামলাকারীদের দায়ের করা মিথ্যা মামলায় আমাকেসহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের গ্রেপ্তারের হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। 

ওই সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডলি চৌধুরীর মা আসেফা চৌধুরী, বড়ভাই আজিজুল ইসলাম চৌধুরী, বড় বোন পারুল চৌধুরী, চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মান্নান চৌধুরী, ফুপু মাকছুদা খাতুন চৌধুরী, প্রতিবেশী ভাই সোহাগ হোসেন ও আজিজুল ইসলাম প্রামাণিক।

ডলি চৌধুরী চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মান্নান চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, আসামীদের প্রভাবের কারণে পুলিশ এক সপ্তাহ পর আমাদের মামলা রেকর্ড করে। এখন তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। বরং মামলা করে আসামীদের ভয়ে এখন আমরাই পালিয়ে বেড়াচ্ছি। 

অভিযোগ অস্বীকার করে আহসান হাবিব দুলাল বলেন, ১৯৮৫ সালে তফিজন নেছা বাচ্চামাই এবং মজিদা খাতুনের কাছ থেকে দুই দলিলে ৯৭ শতক জমি ক্রয় করে ৩৫ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছি আমি ও আমার পরিবার। ঘটনার দিন তারা আমাদের ফসল নষ্ট করে জমি দখল করতে আসেন। আমি তাদে বাধা দেই। ডলি চৌধুরী ও তার পরিবার আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে থানায় মামলা দায়ের করেছে। 

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার ওসি মো. আব্দুল আউয়াল বলেন, বিরোধপূর্ণ জমিটি দীর্ঘদিন ধরে ডলি চৌধুরীর প্রতিপক্ষরা ভোগ দখল করছেন। এবিষয়ে ডলি চৌধুরীকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল,তিনি আদালতে যাননি। পরে দুই পক্ষ থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা করেছেন, দুই মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন দুটি মামলায় নির্দোষ কিছু ব্যক্তিকে আসামী করা হয়েছে। এই মামলার বাদী ডলি চৌধুরীও আসামী। তিনি নিজে আদালতে জামিন না নিয়ে কিভাবে সংবাদ সম্মেলন করছেন।  


পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 2087431598045498006

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item