নীলফামারীতে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে দম্পতি সহ নিহত ৩


নির্ণয়,নীলফামারী॥
কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ চাপা পরে এক দম্পক্তি ও বজ্রপাতে এক নারী সহ প্রাণ হারিয়েছে ৩ জন। নিহতরা হলেন নীলফামারী সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের  এন্তাজুল ইসলাম ওরফে ঘুটু মিয়া(৫৩) ও তার স্ত্রী মোমেনা বেগম (৪২) ও সদরের কচুকাটা ইউনিয়নের মহব্বত বাজিতপাড়া গ্রামের গৃহিনী রোকেয়া বেগম(৫৫)।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত হতে জেলার বিভিন্নস্থানে কাল বৈশাখী ঝড় ও বজ্রসহ শিলাবৃস্টি  হয়। ঝড়ে অসংখ্য গাছপালা ভেঙ্গে পড়ে। উঠতি বোরো ধানের বেশ ক্ষতি হয়। ঝড়ের সময়  কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের ওই দম্পক্তি তাদের চার বছরের নাতি মোজহিদুল ইসলাম জাহিদ সহ টিনের চালার বসত ঘরে ঘুমিয়েছিল। এমন সময় কালবৈশাখী ঝড়ে বাড়ির ভেতরে থাকা একটি আম ও একটি মেহগনী গাছ  উপড়ে  টিনের ঘরে ওপর ভেঙ্গে পরে । এতে  ওই  দ¤পক্তির মৃত্যু ঘটলেও ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় তাদের নাতি। 

নিহতের বড় ছেলে মমিনুর রহমান (২৫) বলেন, রাতে হঠ্যাৎ করে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে বাড়ির ভেতরে থাকা একটি আম গাছ ও মেহগনী গাছ উপড়ে ঘরের উপর পড়ে। এতে বাবা ও মা চাপা পড়ে। তবে আমার শিশু সন্তান  অখ্যাত থাকে। এসময় প্রতিবেশী সহ আমি তাদের উদ্ধার করে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষনা করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুন্দুপুকুর ইউনিয়ন পরিষদেও চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী চৌধুরী বলেন, এনতাজুল হক পেশায় অটোরিক্সা চালক এবং তার স্ত্রী মোমেনা খাতুন গৃহীনি ছিলেন। ওই দম্পতির দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। শুক্রবার  উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিনা আক্তার ও সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও পরিবারটিকে উপজেলা পরিষদের পক্ষে ১০ হাজার টাকা সহয়তা প্রদান করেন। 

অপর দিকে ওই রাতে একই সময় বজ্রপাতে নিহত হয় সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের মহব্বত বাজিতপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুস সামাদের স্ত্রী রোকেয়া বেগম(৫৫)। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান ঘটনার সময় স্বামী স্ত্রী একটি ঘরেই ছিলেন। ওই অবস্থায় রোকেয়া বেগম প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে ঘর থেকে বের হন। এ সময় বজ্রপাত ঘটলে ঘটনাস্থলে তিনি ঝলসে গিয়ে মারা যান। 

জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় কেউ মৃত্যু বরণ করলে ত্রাণ মন্ত্রনালয় থেকে সহায়তা প্রদান করা হয়। সেই মাফিক পরিবারগুলোকে সরকারি ভাবে ২০ হাজার করে ৬০ হাজার টাকা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দ্রুত এই সহায়তা পরিবার দুইটিকে প্রদান করা হবে। #


পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 472982014256718362

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item