পতিত জমিতে সবজীর গ্রাম গড়ে তুলেছেন নীলফামারীর কৃষান কৃষানীরা


মোঃ শামীম হোসেন বাবু,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)সংবাদদাতাঃ
বিষমুক্ত শাকসবজি খাওয়ানোর সংকল্পে একজোট হয়েছেন একটি গ্রামের কৃষক। শীত মৌসুম থেকে সম্পুন্ন পরিবেশ বান্ধব, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ছাড়াই নিরাপদ সবজী চাষ করে সবাইকে তাঁক লাগিয়ে দিয়েছেন তারা। গ্রামটি হল নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রাম। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকলের প্রচেষ্টার কারনে গ্রামটি এখন নিরাপদ সবজীর গ্রাম বা অরগানিক গ্রাম হিসাবে পরিচিত। ওই গ্রামের ৬২ জন কৃষান কৃষানী নীলফামারীর রংপুর সড়কের (রাস্তার)দুই ধারের পতিত জমিতে প্রায় ২ কিলোমিটার অংশে এ সবজী বাগান গড়ে তুলেছেন।  সেখানে চাষ হচ্ছে নানা ধরনের  বিষমুক্ত সবজী। বর্তমানে জমিতে রয়েছে করলা, ঝিঙ্গা, চিচিংগা,শশা, শিম, লাউ, বেগুনসহ বিভিন্ন বিষমুক্ত সবজী। । 

বিষমুক্ত গ্রামের সবজী চাষী আতাউর মিয়া বলেন, আগে আমরা জমিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক স্প্রে করতাম। আমরা আগে জানতাম না কিভাবে বিষমুক্ত সবজী চাষ করতে হয়। বর্তমান করোনাকালীন সময়ে কোন কাজ কর্মহাতে না থাকায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমানের পরামর্শে সড়কের পাশে^র পতিত জমিতে রাসায়নিক সারের পরিবর্তে কেচোঁ সার, বাড়িতে প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন তরল সার ও জৈব বালাইনাশক  ব্যবহার করে বিষমুক্ত সবজী উৎপাদন করতে পেরেছি। 

বিষমুক্ত সবজী উৎপাদনের  গ্রামের বিষয়ে জানতে চাইলে নীলফামারী জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এক ইঞ্চি জমিও যাতে অনাবাদি না থাকে সে লক্ষে কিশোরগঞ্জ উপজেলায় পতিত জমির সদ্ব্যবহার করে নিরাপদ সবজী উৎপাদন করা হয়েছে। ফলে একদিকে বাড়তি অর্থ আয় হচ্ছে অপর দিকে মানুষ নিরাপদ সবজী খেয়ে পুষ্টির চাহিদা পুরন হচ্ছে। 

কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর,রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ খন্দকার আব্দুল ওয়াহেদ জানান, সারাদেশে নিরাপদ সবজী চাষ করে দেশের খাদ্য চাহিদা পুরুন করে যদি বিদেশে রপ্তানী করা যেত তাহলে দেশে বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা আয় হত। 

পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 9130472263509374223

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item