পীরগাছায় ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোয় পারাপার

পীরগাছা(রংপুর) প্রতিনিধিঃ

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের তিস্তার শাখা নদের ওপর সেতু নেই। ফলে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পীরগাছা ও উলিপুর উপজেলার ৬টি গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত চলাচল করছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সরেজমিনে জানা যায়, বাঁশের সাঁকোটি দিয়ে তিস্তার তীরবর্তী ছাওলা ইউনিয়নের গাবুড়া, হাগুরিয়া হাসিম, পূর্ব কাশিয়াবাড়ী, দক্ষিণ গাবুড়ার চর ও উলিপুর উপজেলার গোড়াইপিয়ার চর, রামনিয়াস্বর গ্রামের বাসিন্দারা যাতায়াত করেন। সাঁকোটি অপ্রশস্থ ও নড়বড়ে। ফলে পথচারীরা যাতায়াত করতে পারলেও রিকশা-ভ্যানসহ ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারেনা। এমনকি চরের প্রধান বাহন ঘোড়ার গাড়ি সাঁকোর নিচ দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে পার করতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক বছর ধরে বর্ষার শুরুতেই তারা নিজেরা চাঁদা তুলে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে সরু সাঁকোটি নির্মাণ করে আসছেন। এ বছর সাঁকোটি তৈরি করতে ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তবে সাঁকো দিয়ে যাতায়াতকারীদের চাঁদা দিতে হচ্ছে। সাঁকো নির্মাণকারীরা ঘোষণা দিয়েছেন, ৮০ হাজার টাকা উত্তোলনের পর আর কাউকে চাঁদা দিতে হবে না।

সাঁকো পরিচালনার দায়িত্বে থাকা স্থানীয় মোন্নাফ আলী বলেন, আমাদের চলাফেরা, স্থানীয় পাওটানার হাটে পণ্য আনা-নেওয়ায় অনেক কষ্ট হয়। তাই আমরা এলাকাবাসী মিলে নিজেদের চাঁদার টাকায় বাঁশের সাঁকোটি তৈরি করেছি।

গাবুড়া গ্রামের বাসিন্দা মোর্শেদুল ইসলাম বলেন, অপ্রশস্ত সাঁকো দিয়ে গ্রামে কোনো রিকশা-ভ্যান চলাচল করতে পারে না। চরাঞ্চলের পণ্য পরিবহনে একমাত্র বাহন ঘোড়ার গাড়ি। অথচ সেই ঘোড়ার গাড়ি স্রোতে ভাসিয়ে পার করতে হয়। এ কারণে উৎপাদিত পণ্যের পরিবহন আর রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার সময় চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

ছাওলা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম বলেন, ওই এলাকার মানুষের যাতায়াতের জন্য একটি ব্রিজ নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম বলেন, ওই স্থানে ব্রিজ নির্মাণের জন্য একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।


পুরোনো সংবাদ

রংপুর 9088754467519650629

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

কৃষিকথা

ফেসবুক লাইকপেজ

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item