সুন্দরগঞ্জ সবজি ক্ষেতে বিষমুক্ত করতে মশারি ব্যবহার



নুরুল আলম ডাকুয়া, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
পাখির উপদ্রব, ডগা ও ফলছিদ্রকারী পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে সবজি ক্ষেত রক্ষায় লাইলনের মশারি বা জাল ব্যবহার করা হচ্ছে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কৃষকগণ এখন নিরাপদ ও বিষমুক্ত সবজি চাষাবাদে কীটনাশকের পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতি হিসেবে মশারি বা জাল ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠছে।
বিশেষ করে বেগুন, সিম, পটল, টমেটো, লাউ, কুমড়া, শশা ক্ষেতে মশারি বা জাল ব্যবহারের বিষয়টি নজর কাড়ছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা দহবন্দ ইউনিয়নের দক্ষিণ ধুমাইটারি গ্রামের কৃষক শাহেদুজ্জামান ৪০ শতক জমিতে বেগুন চাষ করেছে। পোকামাকড় ও বিষমুক্ত এবং নিরাপদ বেগুন উৎপাদনের লক্ষে তিনি বেগুন ক্ষেতের উপরে লাইলনের মশারি ঝুলিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, উঠতি ডগা এবং ফলনের সময় ডগা ও ফলছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ ব্যাপক হারে দেখা দেয়। সে সময় কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ বার কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়। কিন্তু মশারি ঝুলিয়ে দেয়ার কারণে কীটনাশক প্রয়োগ করার প্রয়োজন নেই বললে চলে। একবিঘা জমিতে বেগুন লাগা থেকে গাছে বেগুন আসা (ধরা) পর্যন্ত ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা খরচ হয়। ফলন ভাল হলে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার বেগুন বিক্রি করা যায়। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়,উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় চলতি মৌসুমে ৭৩০ হেক্টর জমিতে বেগুন চাষা করা হয়েছে। তবে চরাঞ্চলে বেগুন চাষের পরিমাণ বেশি। উপজেলা কৃষি অফিসার সৈয়দ রেজা-ই মাহমুদ বলেন বর্তমানে অনেক কৃষক সবজি ক্ষেতে কীটনাশক প্রয়োগ না করে বিষমুক্ত ও নিরাপদ সবজি চাষাবাদে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের কিটনাশকের ব্যবহার থেকে দূরে সরে আসার পরামর্শ প্রদান করে আসছেন। অল্প সময়ের মধ্যে কিটনাশক প্রয়োগ অনেকটা কমে যাবে।

পুরোনো সংবাদ

গাইবান্ধা 7919439256361336982

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

কৃষিকথা

ফেসবুক লাইকপেজ

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item