সঙ্গীতজীবনের ৫০ বছর তপন মাহমুদকে সংবর্ধনা

প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী তপন মাহমুদের বেতার-টেলিভিশনে (১৯৬৯-২০১৯) সঙ্গীতজীবনের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে ‘জয়তু তপন মাহমুদ’ শিরোনামে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ সঙ্গীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ।


শুক্রবার বিকালে রাজধানীর শাহবাগের সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।

এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সংস্কৃতি সচিব রোখসানা মালেক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম, নাট্যজন ম. হামিদ ও বাচিক শিল্পী আশরাফুল আলম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সঙ্গীতশিল্পী মকবুল হোসেন ও পীযূষ বড়ুয়া ।

স্বাগত বক্তব্য দেন সঙ্গীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায়। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মাহমুদ সেলিম। তপন মাহমুদের সঙ্গে সংবর্ধনার মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী বুলা মাহমুদও।


সঙ্গীতজীবনের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে তপন মাহমুদের গাওয়া ৫০টি রবীন্দ্রসঙ্গীত ও ১২টি হারানো দিনের গান নিয়ে একটি সংকলনের মোড়ক উন্মোচন করা হয় অনুষ্ঠানে। সংকলনটির নাম ‘সুদূরের পিয়াসী’।

চারটি সিডি দিয়ে সংকলনটি সাজানো হয়েছে। এর মধ্যে রবীন্দ্রসঙ্গীতের সিডি তিনটি। সেগুলো হল- ‘পরশ পাবার প্রয়াসী, পলাতকা ছায়া ফেলে ও ফুল ফোটানোর খেলা। ‘আলোর ঝর্ণাধারা’ নামে সিডিটি সাজানো হয়েছে বহুল জনপ্রিয় ১২টি হারানো দিনের গান দিয়ে।

অনুষ্ঠানে গানে গানে তপন মাহমুদকে শুভেচ্ছা জানান মহাদেব ঘোষ, আনিসুর রহমান সিনহা, সুদেষ্ণা সান্ন্যাল ও বিশ্বরূপ রুদ্র। দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে বৈতালিক।

তপন মাহমুদের হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান লায়লা হাসান, সাজেদ আকবর ছাড়াও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা, উদীচী, সুরের ধারা, বৈতালিক, রবি রশ্মি, গীতিশতদল, মন্দিরা, সঙ্গীতভবন, উত্তরায়ণ, গীতাঞ্জলি, মহীরুহ, সৃজনশীল গানের দলসহ আরও অনেক সংগঠন।

নারী চিত্রশিল্পীদের ‘কন্যা আর আমরা’ : একঝাঁক নারী শিল্পীর চিত্রকর্মে শোভিত শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালার ২নং গ্যালারি। চব্বিশ নারী চিত্রকরের চিত্রকর্মে ‘কন্যা আর আমরা’ শীর্ষক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে সেখানে।

শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জারভিত্তিক গ্রুপ কন্যা।

শুক্রবার বিকালে তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর সূচনা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরেণ্য শিল্পী মনিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন চিত্রকর মনসুর উল করিম।

আলোচনায় অংশ নেন চট্টগ্রাম চারুশিল্পী সংসদের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ, শিল্পী আহমেদ নেওয়াজ, উত্তম গুহ ও আবদুল মান্নান। সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের দলনেতা শাকিলা চয়ন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনিরুল ইসলাম বলেন, এক বছরের পরিকল্পনায় প্রদর্শনীটির আয়োজন করতে পেরেছেন শিল্পীরা। চারুশিক্ষা শেষ করার পর অধিকাংশ সময়ই পরিবার ও সংসারের চাপে নারী শিল্পীদের শিল্পচর্চা অব্যাহত থাকে না।

সেই অর্থে শিল্পায়োজনটি বিশেষ গুরুত্ববহ। প্রদর্শনীতে অংশ নেয়া এই ২৪ নারী শিল্পীর শিল্পসৃজনে আছে নিজস্ব গল্প। যতটুকু মনোযোগ দরকার প্রত্যেকেই তার পরিপূর্ণ প্রয়োগ ঘটিয়েছে।

মনসুর উল করিম বলেন, এ প্রদর্শনীর নারী শিল্পীদের অনেকেই দীর্ঘদিন চর্চার বাইরে থাকলেও এই শিল্পায়োজনটির আবার তাদের রেখার গতি সঞ্চার করবে।

কন্যার সভাপতি শাকিলা চয়ন বলেন, আঠারো বছর বিরতি দিয়ে ছবি আঁকতে শুরু করেছি। আমরা যারা একত্রে আঁকতে শুরু করেছিলাম, তাদের এই জগতে আবার ফিরিয়ে আনার জন্য এই গ্রুপটি তৈরি হয়েছে। গ্রুপের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই প্রদর্শনী।

পারিবারিক, সামাজিক বাধা ও আলস্য উপেক্ষা করে সবাই সাড়া দিয়েছেন শিল্পিত এ আয়োজনে। যারা আঁকা প্রায় ছেড়ে দিয়েছিলেন, ঢাকার বাইরে থেকে এ রকম অনেকে এসেছে এবং পুনরায় আঁকতে শুরু করেছেন।

২৪ শিল্পীর ক্যানভাসে নিসর্গ, নারী, ফুল, পাখির কলতান, গ্রামীণ জীবনসহ পৌরাণিক আখ্যানের চরিত্রসহ বিবিধ বিষয় উঠে এসেছে। অ্যাক্রেলিক, জলরং, তেলরং ও ছাপচিত্রের আশ্রয়ে আঁকা হয়েছে চিত্রকর্মগুলো। আগামীকাল পর্যন্ত চলবে এ প্রদর্শনী।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

পুরোনো সংবাদ

শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি 5703805704866997143

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

কৃষিকথা

ফেসবুক লাইকপেজ

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item