ডোমারে মা ও ছেলেকে মারপিট


নির্ণয়,নীলফামারী॥
৯৯৯ নম্বরে কল করে প্রতিপক্ষের হামলার হাত থেকে রক্ষা পেলেও পুলিশ চলে যাবার পর প্রতিপক্ষরা মা ও ছেলেকে বেধরক পিটিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সোমবার নীলফামারীর ডোমার উপজেলার পাঙ্গামটকপুর ইউনিয়ন পরিষদের পাঙ্গা চৌপথী নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটেছে। আহত মা শেরিনা বেগম (৫০) ও তার ছেলে শাহিন কবিরকে(২৬) স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। 

আহত শাহিন কবির অভিযোগ করে বলেন, পাঙ্গামটকপুর ইউনিয়ন পরিষদের পাশে আমার পানের দোকানের সাথে একটি আম গাছ রয়েছে। সকালে ওই গাছ হতে আমার ছোট ভাই শাহাজাদা  কয়েকটি পাকা আম পারে। এই ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানের গাড়ি চালক আব্দুল মতিন আমাকে মারধর শুরু করে। আমি দৌঁড় দিয়ে আমার দোকানের ভিতরে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দেই। আমাকে মেরে ফেলার হুমকী দিলে  আমি বাধ্য হয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেই। ডোমার থানা পুলিশ এসে আমাকে দোকানের ভিতর থেকে বের করেন এবং ঘটনা সমাধান করে পুলিশ চলে যায়। এর কিছুক্ষন পর চেয়ারম্যানের লোকজন এসে কেন পুলিশ ডেকেছি এই কারনে তারা আমাকে পুনরায় মারধর করতে শুরু করে। আমি রাস্তায় পড়ে গেলে আমার মা ছুটে এসে রক্ষা করার চেষ্টা করলে আমার মাকেও তারা মারধর করে। এসময় এলাকাবাসী আমাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভতি করে। 

আমার বাড়ি আমার খামারের সনাতন রায় বলেন, পাঙ্গাচৌপথি মোড়ে কয়েকজন এক নারী ও এক ছেলেকে বেধরক মারধর করতেছিল। আমি তাদের বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করি। এসময় মতিনের বাবা আদুর রশিদ আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে আমাকেও মারপিট করে। 

এ বিষয়ে পাঙ্গামটকপুর ইউপি চেয়ারম্যান এমদাদুল হক  বলেন, আসলে বিষয়টা ওদের পারিবারিক গন্ডোগোল। ওই মারামারিতে আমার বা আমার লোকজনের  কোন হাত নেই। 

ডোমার থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান জানান, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#


পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 6383091146723979517

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item