সৈয়দপুরে অগ্নিকান্ডের ক্ষতিগ্রস্থ ১৬টি পরিবারের মাঝে ৩২ বান্ডিল ঢেউটিন বিতরণ


তোফাজ্জল হোসেন  লুতু,সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

 নীলফামারীর সৈয়দপুরে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ১৬টি পবিারের মাঝে ৩২ বান্ডিল ঢেউটিন বিতরণ করা হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়েরঅধিন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে দুপুরে ওই ঢেউটিন বিতরণ করা হয়।

 সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোখছেদুল মোমিন উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের হাতে ওই ঢেউটিন তুলে দেন।

 এ সময় সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাসিম আহমেদ, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মো. আজমল হোসেন, নারী ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. সানজিদা বেগম লাকী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবু হাসনাত সরকার, উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. রবিউল আলমসহ সংশ্লিষ্ট বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 ওই দিন আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ  বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের উত্তর সোনাখুলী বালিকান্ডপাড়ার ১৬ টি পরিবারের মধ্যে ২ বান্ডিল করে সর্বমোট ৩২ বান্ডিল ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে।

 উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (৮অক্টোবর) রাতে সৈয়দপুর উপজেলা  ৪ নম্বর বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর সোনাখুলী বালিকান্তপাড়ায় এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ড সংঘটিত হয়। আগুনে হিন্দু অধ্যুষিত  পল্লীর বাসিন্দা সজন রায়, সুবাস রায়, সম্ভু রায়, গোপাল, অমল, অধির রায়, জগনাথ রায়, ব্রজেন রায়, বিধান রায়, বিমল রায়, গৌতম রায়, সুরঞ্জিত রায়, রনজিত রায়, সুঞ্জিত রায়, রতন রায় ও শান্তি রায়সহ গ্রামের ১৬টি পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনে গতকাল মঙ্গলবার সরকারিভাবে ওই ঢেউটিন প্রদান করা হয়েছে। 

এর আগে গত ৯ অক্টোবর বিকেলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়াও সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোখছেদুল মোমিন তাঁর ব্যক্তি পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের মাঝে শাড়ি, লুঙ্গি, শার্ট  এবং প্রতি পরিবারকে এক হাজার টাকা করে নগদ অর্থ বিতরণ করেন। 


পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 8695485184780562196

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

কৃষিকথা

ফেসবুক লাইকপেজ

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item