নীলফামারীর কিশোরগজ্ঞে ঈদের আগে আর্থিক সহায়তা না পাওয়ার শংকায় সুবিধাভোগীরা


মোঃ শামীম হোসেন বাবু,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)সংবাদদাতাঃ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায়  ভিজিএফ কর্মসুচীর আওতায় ভিজিএফ কার্ডের বিপরীতে আর্থিক সাহায্য বিতরনের তালিকা প্রস্তুত না হওয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে টাকা বিতরন হচ্ছেনা বলে আশংখা প্রকাশ করেছেন সুবিধাভোগীরা। 

এদিকে সরকারী পরিপত্র মোতাবেক জনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রতিটি ওয়ার্ডে কার্ড বিতরন করার নিয়ম থাকলেও তা না করায় নিতাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুকুজ্জামান ফারুকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন খোদ ওই ইউনিয়নের ৬,৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যগণ। ফলে করোনাকালে পবিত্র ইদুল ফিতরের আগে টাকা বিতরন না হলে ইদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবে ৫৬ হাজার ৫শ ৪৭ টি পরিবার। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নে পবিত্র ইদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসুচীর আওতায় ৫৬ হাজার ৫৪৭ টি পরিবারের বিপরীতে কার্ড প্রতি ৪৫০ টাকা হারে মোট  ২ কোটি ৫৪ লক্ষ ছয়চল্লিশ হাজার ১৫০ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি ইউনিয়নের কার্ডধারীদের তালিকা প্রস্তুত করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর তালিকা  প্রেরন করার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত কোন কোন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তালিকা জমা করতে পারেননি। 

নিতাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুকুজ্জামান ফারুক বলেন, আমি আমার ইউনিয়নের সকল ইউপি সদস্যদের ডেকে রেজুলেশনের মাধ্যমে ওয়ার্ড ভিত্তিক  কার্ড বিভাজন করেছি কিন্তু তারা তা মানছেনা সেকারনে তালিকা দিতে বিলম্ব হচ্ছে। 

বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং চেয়ারম্যান এসোসিয়েশনের সভাপতি ফজলার রহমান বলেন, বিদ্যুৎ না থাকা, কম্পিউটারের নেটের সমস্যা এবং ছবিসহ আইডি কার্ড প্রস্তুত করতে অনেক সময় প্রয়োজন তাই তালিকা দিতে দেড়ি হচ্ছে। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোকসানা বেগম সুবিধাভোগীদের তালিকা না পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে খুব দ্রুত তালিকা নিয়ে পবিত্র ইদুল ফিতরের আগেই আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হবে। ইউপি সদস্যদের লিখিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিভাজন করার জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদেরকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। 

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম বারী পাইলট বলেন, গত বছর পবিত্র ইদুল ফিতরের সময় তালিকা তৈরীতে দেড়ি হওয়ার কারনে ইদের আগে অনেক ইউনিয়ন পরিষদ চাল বিতরন শেষ করতে না পারায় অনেক অসহায় পরিবার ঠিকমতো ইদ করতে পারেনী। এবার সে পুনরাবৃত্তি হতে দেয়া যাবেনা। ইদের আগেই কিভাবে বিতরন শেষ করা যায় সেজন্য জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। 


পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 2691844544878075750

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item