পার্বতীপুরে সজিনার ডাটার বাম্পার ফলন


এম এ আলম বাবলু পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ঃ 

পার্বতীপুর উপজেলায় গ্রীষ্মকালীন সবজি সজিনার ডাটার ব্যাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া এবং প্রাকৃতিক কোন দূর্যোগ না হওয়ায় এবার গত বছরের চেয়ে বেশি উৎপাদন হয়েছে। তরকারি হিসেবে সজিনার  জুড়ি নাই, তাইতো এর কদর রয়েছে সর্বত্র। সমগ্র দেশে সজিনার ব্যাপক চাহিদা থাকায় সজিনা চাষীদের মুখে হাসি ফুঠেছে। সজিনার সবজি বিক্রয় করে তারা আয়ও করেছে অনেক। পার্বতীপুর পৌর শহরসহ উপজেলায় গ্রামে-গঞ্জে সবখানে গাছে গাছে প্রচুর পরিমাণে সজিনার ডাটা ধরেছে। বাজারে উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় হাট-বাজারে সজিনার ডাটার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মুখরোচক ও পুষ্টিগুণে ভরপুর সজিনার ডাটা।  পার্বতীপুর পৌরসভার লালমিয়া বলেন, তার ৩টি গাছ থেকে সজিনা বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে। অন্যান্য সবজির চেয়ে সজিনার ডাটা পুষ্টিগুণ ও স্বাদে বেশি হওয়ায় যে কোন বয়সের মানুষ সজিনা খেতে ভালবাসে। এর জন্য আলাদা কোন জমিও প্রয়োজন হয় না। যে কোন পতিত জমি, পুকুর পাড়, রাস্তার বা বাঁধের ধার, বাড়ীর আঙ্গিনা এমনকি শহরে যে কোন ফাঁকা শুষ্ক জায়গায় সজিনার গাছ লাগানো যায়। এর কোন বীজ বা চারাও প্রয়োজন হয় না। গাছের ডাল কেটে মাটিতে পুঁতে রাখলেই সজিনার  গাছ জন্মায়। এর জন্য কোন সার বা পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। অবহেলা অযত্নে প্রাকৃতিকভাবেই বেড়ে উঠে সজিনার গাছ। বড় ও মাঝারি ধরণের এক একটি সজিনার গাছে ৪ থেকে ৫ মণ পর্যন্ত সজিনা পাওয়া যায়। বিনা খরচে অধিক আয় পাওয়ায় অনেকেই বাণিজ্যিকভাবেও সজিনা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। বিশেষ করে এই উপজেলার মাটি, পানি ও আবহাওয়া সজিনা চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় এই উপজেলায় সর্বত্রই প্রচুর পরিমাণে সজনে উৎপাদন হচ্ছে। এ ব্যাপারে কৃষি অফিসার বাকিবুল ইসলাম জানান- উপজেলায় সর্বত্র সজিনা চাষের উপযোগী মাটি ও আবহাওয়া রয়েছে। এখানে বাণিজ্যিক ভাবে সজিনা চাষ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। 


পুরোনো সংবাদ

দিনাজপুর 8499698843071578197

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Logo

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item