কিশোরগঞ্জে ফসলের মাঠজুড়ে হাসছে সুর্যমুখী ফুল


মোঃ শামীম হোসেন বাবু,কিশোরগঞ্জ,নীলফামারীঃ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় প্রথমবারের মতো সুর্যমুখী ফুলের চাষ হয়েছে। সুর্যমুখী ক্ষেত ফুলে ফুলে ভরে গেছে। দেখে মনে হচ্ছে ফসলের মাঠ জুড়ে হাসছে সুর্যমুখী ফুল । এরই মধ্যে সুর্যমুখীর হাসিতে ভাল ফলনের স্বপ্ন দেখছে কৃষকরা। 

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, সারাবিশ্বে সুর্যমুখী তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারনে বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে সুর্যমুখী চাষ শুরু হয়েছে। সে লক্ষ্যে কৃষি পুর্ণবাসন কর্মসুচির আওতায় সম্পুন্ন বিনামুল্যে কৃষককে সার বীজ বিতরনের মাধ্যমে   এবার নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় প্রায়  ৫৪ হেক্টর জমিতে  আরডি এস জাতের সুর্যমুখী চাষ হয়েছে। সুর্যমুখী চাষ করে শুরুতেই সফলতার মুখ দেখছেন কৃষকরা।  যদি কোন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয় তাহলে সৃর্যমুখী চাষ করে দ্বিগুণ তিনগুন লাভ করতে পারবেন ।  ফলে একদিকে উপকৃত হবে অপর দিকে মিটবে সুর্যমুখী তেলের চাহিদা। 


নিতাই ইউনিয়নের খোলাহাটি গ্রামের কৃষক গৌসুল আজম বলেন, আমি উপজেলা কৃষি অফিসের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বদরুল আলমের পরামর্শে ৩০ শতক জমিতে  সুর্যমুখী ফুল চাষ করেছি। সুর্যমুখীর বীজ সার সব কিছু সরকারীভাবেই পেয়েছি। বর্তমানে আমার সুর্যমুখী ক্ষেত ফুলে ফুলে ভরে গেছে। যদি কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয় তাহলে সুর্যমুখী চাষ করে কৃষকের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যাবে। 

বাহাগিলি ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি গ্রামের গ্রামের চাষী শামীম হোসেন জানান, আমি কৃষি অফিসের পরামর্শে এবং কৃষি পুর্নবাসন প্রকল্পের আওতায় সুর্যমুখীর বীজ ও সার পেয়ে একবিঘা জমিতে সুর্যমুখীর চাষ করি। বর্তমানে সুর্যমুখীক্ষেতে ফুল আসতে শুরু করেছে। এমন পরিবেশে সুর্যমুখী ফুল অনেকের দৃষ্টি কেড়েছে। অনেকেই সুর্যমুখী ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। আবার অনেকেই ক্ষেতে ছবি তুলে ফেসবুকে ছবি পোষ্ট করছেন।  

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, সুর্যমুখী অতিপরিচিত একটি ফুল। এর তেল মানে গুনে অন্যন্য সারাবিশ্বেই এর ব্যাপক চাহিদা থেকে বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে সুর্যমুখির চাষ শুরু হয়। এ উপজেলার জমি সুর্যমুখী চাষের জন্য উপযোগী মনে হওয়ায় নীলফামারী কৃষি দপ্তরের সহযোগিতায় এবার প্রথম ৪০৬ বিঘা জমিতে সুর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। বর্তমানে সুর্যমুখী ক্ষেতের যে অবস্থা তাতে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছে কৃষক ও কৃষি বিভাগ। তিনি আরো বলেন, সুর্যমুখী গাছ লম্বায় ৩ মিটার হয়ে থাকে, ফুলের ব্যাস ৩০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। এই ফুল দেখতে সুর্যের মত হওয়ায় এর নাম সুর্যমুখী ফুল। 


পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 4256382961606616069

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item