কিশোরগঞ্জে পাট চাষীদের নামে বরাদ্দকৃত পাট বীজ ও সার আত্নসাৎ


মোঃ শামীম হোসেন বাবু,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)সংবাদদাতাঃ
উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারন প্রকল্পের আওতায়  পাঠচাষীদের নামে ভুয়া মাষ্টাররোল তৈরী করে জাল স্বাক্ষর দিয়ে সরকারী  বরাদ্দের সার বীজ এবং প্রশিক্ষনের  টাকা আত্নসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা পাঠ উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ঘঁটনাটি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার। সরকারী বরাদ্দ আত্নসাৎ করার ফলে একদিকে  কমছে পাট চাষ অপর দিকে ভেস্তে যেতে বসেছে সরকারের পাট চাষ প্রকল্প। 

উপজেলা পাঠ উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে কিশোরগঞ্জ উপজেলার পাঠচাষীদের জন্য ২ হাজার কেজি ৫ বীজ এবং পরিমাণ অনুযায়ী সার বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু উপজেলা পাঠ উন্নয়ন কর্মকর্তা পাঠ চাষীদের ভুয়া মাষ্টাররোল তৈরী করে জাল স্বাক্ষর দিয়ে বরাদ্দের সমস্ত সার বীজ উত্তোলন করে তা আত্নসাৎ করে। অপর দিকে ২০২১ সালে উপজেলার একশ  পাঠ চাষীকে উন্নত প্রযুক্তিতে পাঠ চাষের জন্য প্রশিক্ষনের ব্যাবস্থা করা হলেও পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা ভুয়া কৃষকের নাম দিয়ে প্রশিক্ষনের সমস্ত অর্থ আত্নসাৎ করে। 

গত সোমবার সরেজমিনে গিয়ে বড়ভিটা ইউনিয়নের পানাতীপাড়া গ্রামের পাঠচাষী  শ্রী মঙ্গল চন্দ্র রায়ের সাথে কথা বললে তিনি জানান, ২০২০ সালে আমি কোন পাটবীজ কিংবা এক ছটাক সারও পাইনি। সরকারী সার বীজ বিতরনের মাষ্টাররোলে তালিকায় আপনার নাম ও স্বাক্ষর রয়েছে জানালে তিনি বলেন, আমি কোথায় কোন স্বাক্ষর করিনি । চাইলে আপনারা আমার স্বাক্ষর নিয়ে দেখতে পারেন। একই কথা বলেন, রণচন্ডি ইউনিয়নের পাঠচাষী একরামুল হক, মোস্তাফিজুর রহমান, মোশফেকুর রহমান নজরুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাজেডুমরিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের আশরাফ আলী,দুলাল হোসেন,সামছুলহক সহ অনেক কৃষক। 

উপজেলা পাঠ উন্নয়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, কাজ করলে একটু ভুল ত্রটি হতে পারে। তাছাড়া তালিকা দেয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগন। আপনারা চাইলে ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার ও চেয়ারম্যানদের সাথে কথা বলতে পারেন। 

উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসার প্রকল্পের সদস্য এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, পাট অফিস সম্পুন্ন  আলাদা । পাট চাষ এবং সম্প্রসারনের বিষয়টি তিনি দেখভাল করেন। তাঁরপরেও আমি ওনার সাথে কথা বলে দেখব কোন অনিয়ম হয়েছে কিনা। 

উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাট বীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারন প্রকল্পের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোকসানা বেগম বলেন, আমি এখানে নতুন এসেছি। এ বিষয়ে পাট উন্নয়ন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করব। 


পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 9120328057773219697

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item