সিসি ক্যামেরার আওতায় নীলফামারী জেলা


ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়,,নীলফামারী॥
মুজিববর্ষ ও ইংরেজীর নতুন বছরে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দমন ও অপরাধী শনাক্তের সুবিধার্থে গোটা নীলফামারী জেলাকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসি ক্যামেরা) নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে। 

 শুক্রবার(১ জানুয়ারি/২০২১) বেলা সাড়ে ১১টায় নীলফামারী পুলিশ সুপার কার্যালয়ের স্থাপিত ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা নেটওয়ার্ক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য (বিপিএম)। 

এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শহরের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে সিসিটিভি ক্যামেরা। নগরবাসীর নিরাপত্তায় ও তাদের সহায়তায় পুরো শহর সহ ৬ উপজেলা ১৫০ টি সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। আগামী দুই মাসে এটি আরো বৃদ্ধি করা হবে। সিসিটিভিগুলোকে ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গেও সমন্বয় করা হবে। কেউ ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলে তার নামে মামলা হবে। তিনি বলেন, আমরা আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি শুভ কাজের সূচনা করলাম। আমরা জানি বিছিন্ন ভাবে পাড়া, মহল্লা ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনেক স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। আমরা চাচ্ছি এই সিসি ক্যামেরাগুলো একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রতিটি থানার সাথে সংযুক্ত করতে। সৈয়দপুর এয়ারপোর্ট থেকে শুরু করে প্রধান প্রধান সড়ক সহ ডোমার উপজেলার চিলাহাটি আন্তর্জাতিক রেলস্টেশন পর্যন্ত প্রায় অর্ধেকেরও বেশি শহর সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়। 


রংপুর ডিআইজি আরো বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশ যে গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, যে উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা, সেই অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে হলে আমাদের দরকার নিরাপদ শহর।  বাংলাদেশে আমরা আইন শৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনী যেভাবে দ্রুত জঙ্গিবাদের লাগাম টেনে ধরতে সক্ষম হয়েছি সারা বিশ্বের কাছে আমরা বিস্ময়। উন্নয়নের ক্ষেত্রে যেমন বাংলাদেশ সারা বিশ্বের কাছে বিস্ময় তেমনি জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকাও সারা বিশ্বের কাছে বিস্ময়। আমাদের অনেক সদস্য জঙ্গিবাদ মোকাবেলা করতে গিয়ে জীবন দিয়েছেন। তাদের এই আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি মুক্তি দেশ উপহার দিতে পেরেছি। 

নীলফামারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান (বিপিএম,পিপিএম) জানান, মাদক মানুষকে সুস্থ্য রাখতে পারে না। মাদকাসক্ত লোক দেশের উপকারে আসে না। তাই মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে তাদের স¤পর্কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিতে হবে। আর তাদের চিহিৃতকরণের জন্য সিসিটিভি বিশেষ ভুমিকা রাখবে। পাশাপাশি বাসার ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ করে পুলিশের কাছে সরবরাহ করার জন্য বাড়ির মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া রাতের অন্ধকারে চুরি হওয়া ঘটনা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।  

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন) এবিএম আতিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কের) এ.এস.এম মুক্তারুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর দপ্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সদর থানার ওসি আব্দুর রউফ, ওসি(তদন্ত) মাহমুদ উন নবী প্রমুখ। 

জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, জেলঅ পুলিশ সুপারের নিজস্ব পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধায়নে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার উপজেলাগুলোর বণিক সমিতির সহায়তায় জেলার বিভিন্ন মার্কেট ও তৎসংলগ্ন মূল সড়কে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। 

এরপর রংপুর ডিআইজি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার, সদর থানা চত্বরে মরদেহ রাখার “হিমঘর” এর উদ্বোধন করেন। # 


পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 636279988050525175

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item