দেশের সকল ফার্মেসীগুলোকে মডেল ফার্মেসীতে রূপান্তর করা হবে-নীলফামারীতে ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক


ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়,নীলফামারী॥
বাংলাদেশ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান বলেছেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের সকল ফার্মেসীগুলোকে মডেল ফার্মেসী বা মডেল  মেডিসিন শপে রূপান্তর করা হবে। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে মডেল ফার্মেসী এবং প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মডেল মেডিসিন শপ স্থাপনের পাইলোট প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এরই মধ্যে দেশের ৩৭ হাজার মডেল মেডিসিন শপ এবং পাঁচশত মডেল ফার্মেসী স্থাপন করা হয়েছে এবং কার্যক্রম চলমান রয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার(২৪ নভেম্বর/২০২০) সকাল ১১টার দিকে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে ফার্মাসী মডেল প্রাইলট প্রকল্পে আওতায়ে নীলফামারী জেলা শহরের বাটার মোড়স্থ মেসার্স সৈকত ফামের্সী মডেল ফার্মেসী এবং বড়বাজারে করিম ফার্মেসী, রাশেদ ফার্মেসী ও জামান ফামের্সী মডেল মেডিসিন শপ হিসেবে উদ্বোধন কালে এসব কথা বলেন। এসময় তিনি ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের “নো মাস্ক, নো সার্ভিস” ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি সকলকে মাস্ক পরিধান করে সেবা গ্রহণ ও মাস্ক ছাড়া সেবা না দেয়ার পরামর্শ দেন। 

এসময় তিনি আরও বলেন, ঔষধ ফার্মেসী স্থাপন করতে হলে ড্রাগ লাইসেন্স ও ফার্মাসিস্ট থাকতে হবে। ড্রাগ লাইসেন্স এবং ফার্মাসিস্ট ছাড়াই যেসব ফার্মেসী স্থাপন করা হয়েছে তা আইননুযায়ী অবৈধ। ওইসব অবৈধ ফার্মেসীতে কোন ঔষধ কোম্পানী ঔষধ সরবরাহ করতে পারবে না। তাই ড্রাগ লাইসেন্স ও ফার্মাসিস্ট ছাড়া যেসব ঔষধের দোকান চালু আছে তা ক্রমান্বয়ে বন্ধ করে দেওয়া হবে।  

বাংলাদেশে বিশ^মানের ঔষধ তৈরী হয় উল্লেখ্য করে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, দেশের চাহিদার ৯৮ ভাগ ঔষধ দেশীয় কোম্পানীর উৎপাদিত ঔষধ দিয়ে পূরণ করা হয়। এবং আমাদের দেশের উৎপাদিত ঔষধ বিশ^মানের। বর্তমানে আমাদের উৎপাদিত ঔষধ বর্হিবিশে^র ১৪৮টি দেশে রপ্তানী করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের মানসম্মত ঔষধ তৈরী হয়। যখন এই ঔষধ বিতরণ পর্যায়ে আসে মানুষ যেখান থেকে ক্রয় করে সেই জায়গায় ঔষধের গুনগতমান ঠিক আছে কিনা সেটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে ‘মডেল ফার্মেসী, মডেল মেডিসিন শপ’ প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ঔষধের গুনগতমান নিশ্চিৎ থাকবে। রোগি কিংবা তাঁর স্বজন গুনগত ও মানসম্মত ঔষধ যাতে ক্রয় করতে পারেন সেই জন্য এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। 

এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলণ কক্ষে “মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশে মডেল ফার্মেসী ও মডেল মেডিসিন শপ-এর প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাবনা শীর্ষক আলোচনা এবং নকল, ভেজাল, আনরেজিস্ট্রার্ড ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষ প্রতিরোধে” মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান। 

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী, সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবির, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সালাউদ্দিন, সহকারী পরিচালক অজিউল্লা, নীলফামারী ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম প্রমুখ। 

জেলা কেমিস্ট ও ড্রাগিস্ট সমিতির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান সবুজ’এর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা সমিতির সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম, তোবারক আলী, শফিউল আলম, ৬ উপজেলার কেমিস্ট ও ড্রাগিস্ট সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রমুখ। # 


পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 2530223037661072973

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item