নীলফামারীতে একযোগে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ


ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়,নীলফামারী॥
“মুজিববর্ষের অঙ্গিকার, পুলিশ হবে জনতার” “নিরাপদ সমাজ গড়ি নারী নির্যাতন বন্ধ করি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে নীলফামারীর ৬০ ইউনিয়ন ও ৪ পৌরসভায় একযোগে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশজুড়ে সম্প্রতিকালে নারী ধর্ষন ও নির্যাতনের ঘটনা প্রতিহত করতে শহর ও গ্রামে গণসচতেনামুলক প্রচারনায় বিট পুলিশিং সমাবেশে প্রতিটি এলাকার নারী পুরুষ, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ সদস্যরা অংশ নেয়। প্রতিটি সমাবেশ ফেসবুক লাইফে সরাসরি সম্প্রসারন করা হয়। 

নীলফামারী জেলা পুলিশ প্রশাসনের আয়োজনে আজ শনিবার(১৭ অক্টোবর/২০২০) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত জেলার ছয় উপজেলার ৬০টি ইউনিয়ন এবং ৪টি পৌরসভা এলাকার ৭৪টি বিটে একযোগে ওই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

সমাবেশে নারী নির্যাতন, বাল্য বিয়ে, জুয়া, মাদক, ধর্ষণ, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পুলিশকে সহযোগীতা করার আহবান জানিয়ে বক্তারা বলেন, পুলিশের সেবা এখন জনগণের দোড়গোড়ায় এসে পৌঁছেছে। এরফলে অপরাধ প্রবণতা যেমন কমে আসবে তেমনি সামাজিক শৃঙ্খলা বিরাজ করবে।

বক্তারা আরো বলেন, জনতা যদি পুলিশকে তথ্য দিতে এক হাত এগিয়ে আসেন তাহলে আমার পুলিশ জনতাকে সেবা দেওয়ার জন্য ১০ হাত এগিয়ে যাবো। কারণ জনতার সাথে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে চায় পুলিশ। যে কোন অপরাধ দমনে জনতার ভূমিকা অপরীহার্য। এজন্য পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন।

পুলিশের সেবা এখন জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁচেছে। অপরাধ যাতে শুণ্যের কোটায় নামিয়ে আনা যায় সে জন্য সারাদেশে বিট পুলিশিং গঠন করা হয়েছে। এই বিট পুলিশিং সেবার মাধ্যমে মানুষের ঘরে ঘরে এখন পুলিশের অবস্থান করছে। যার ফলে অপরাধ প্রবণতা যেমন কমে আসবে, তেমনি সামাজিক শৃঙ্খলা বিরাজ করবে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান(বিপিএম,পিপিএম) বলেন, পুলিশ ও জনতা সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে চায়। এজন্য পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করতে হবে। যাতে অপরাধ কর্মকান্ড না ঘটে। তিনি বলেন, আপনারা তথ্য দিয়ে যদি একহাত এগিয়ে আসেন আমরা (পুলিশ) সেবা দেয়ার জন্য দশ হাত এগিয়ে যাবো। বিট পুলিশিং সেবার মাধ্যমে মানুষের ঘরে ঘরে পুলিশ পৌঁছেছে কারণ অপরাধ যাতে শুণ্যের কোটায় নামিয়ে আনা যায়। তাই প্রতিটি বিট পুলিশিং অফিসে একজন এসআই, একজন এএসআই ও দুইজন করে কনস্টেবলের সমন্বয়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। 

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, যারা এ রকম ঘটনা ঘটাতে আগ্রহ প্রকাশ করতে চান তাদের জেনে রাখতে হবে মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত তার জন্য।

এ সময় বিভিন্ন সমাবেশে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবুল বাশার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রুহুল আমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সৈয়দপুর সার্কেল) অশোক কুমার পাল, সিনিয়র এএসপি জয়ব্রত পাল, সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ উন নবী, ৬ থানার ওসি, পৌর মেয়র, কাউন্সিলরবৃন্দ, ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ, পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি সহ অনেকে। # 


পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 5588043039058672878

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

কৃষিকথা

ফেসবুক লাইকপেজ

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item