ডোমারে কালিমন্দিরে মাংসের টুকরা ছুড়ে মারার সময় প্রধান শিক্ষকসহ ৪জন আটক


আবু ফাত্তাহ  কামাল পাখি,স্টাফ রিপোর্টার - নীলফামারীর ডোমারে সনাতন ধর্মালম্বীদের কালিমন্দিরে মাংসের টুকরা ছুড়ে মারার সময় এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ ৪জনকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে এলাকাবাসী। আটককৃতদের রবিবারে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তারা হলেন, পৌর এলাকা সাহাপাড়ার আব্দুল করিমের ছেলে ও বামুনীয়া কালিতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম মানিক, পশ্চিম বোড়াগাড়ী কলেজ পাড়ার মৃত ইদু মামুদের ছেলে শফিক মিয়া, বড় রাউতা মাঝাপাড়া গ্রামের মৃত দেবেন্দ্রনাথ বর্মণের ছেলে ফুলেশ্বর বর্মণ ও পশ্চিম চিকনমাটি ময়দান পাড়ার মৃত সোলায়মান আলীর ছেলে জয়নাল আবেদীন।
 জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের বড় রাউতা কালিবাড়ী আশ্রমের কালিমন্দিরে শনিবার রাতের আধাঁরে লাল কাগজে মোড়ানো একটি পটলা ছুড়ে মারে অভিযুক্তরা। এসময় এলাকাবাসীর কয়েকজন তা দেখতে পায়। তারা পটলাটি খুলে একটি মাংসের টুকরো পায়। ওই সময় এলাকাবাসী তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেয়। সনাতন ধর্মালম্বীরা ওই পটলায় গো-মাংস ছিল বলে অভিযোগ করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটককৃতদের থানায় নিয়ে আসে। 
এব্যাপারে বড় রাউতা কালী মন্দির কমিটির সভাপতি ভ‚বন চন্দ্র রায় বাদী হয়ে ডোমার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ০২, তাং ০৪.১০.২০২০ইং।
ডোমার থানা অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকলের অগোচরে মন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট করার কারনে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করি। গ্রেফতারকৃতদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওখানে তখন উত্তেজনা থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
প্রধান শিক্ষক মানিকের স্ত্রী নার্গিস আক্তার জানায় মোটরসাইকেল এক্সিডেন্ট করে মানিক দির্ঘদিন  থেকে অসুস্থ।তাকে ফুঁসলিয়ে কবিরাজ শফিক পাঠা বলি দেবার পরামর্শ দেয়।কবিরাজের পরামর্শমত পাঠা বলি দেওয়া হয়। সনাতন  ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে যেন আঘাত না হানে সেজন্য সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভ্যান চালক  ফুলেশ্বরকে সাথে নেয়া হয়। ভ্যান চালকের উপস্থিতিতে সব কাজ কবিরাজ সম্পাদন করে।

পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 1858328547523582024

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item