পীরগাছায় আউশের বাম্পার ফলন


ফজলুর রহমান,পীরগাছা(রংপুর)ঃ
 রংপুরের পীরগাছায় আউশ (বর্ষালী) ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আউশের ফলন দেখে কৃষকের মুখে তৃপ্তির হাসি ফুটেছে। এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ফলন হওয়ায় আউশ চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। উপজেলায় কৃষকরা উন্নত জাতের (ব্রি. ধান-৪৮) আউশ ধান চাষ করে ফলন পেয়েছে আগের তুলনায় তিনগুণ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৩ হাজার ৯শ হেক্টর জমিতে আউশ ধান আবাদ করার লক্ষ্যমাত্রা হলেও আবাদ করা হয় ৪ হাজার ৩শ হেক্টর জমি । কৃষকরা ব্রি. ধান ২৮ ও ৪৮ চাষ করেছে। এসব জাতের মধ্যে ব্রি ধান-৪৮ চাষে ব্যাপকভাবে সাড়া পেয়েছে কৃষকরা। ফলন খুবই ভাল হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় তিনগুণ ফলন হয়েছে।
আরও জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত এ উপজেলার কৃষক আউশ মৌসুমে স্থানীয় জাতের বীজ আবাদ করতো। এ জাতের আউশ ধানের ফলন খুবই কম হওয়ায় কৃষকরা আউশ ধান আবাদে দিনে দিনে আগ্রহ হারাচ্ছিল। চলতি মৌসুমে আউশের বম্পার ফলন হওয়ায় আউশ চাষে কৃষকরা আগামীতে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত হবে বলে আশা করছেন উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর।
এ ব্যাপারে উপজেলার জগজীবন গ্রামের কৃষক আঃ রহমান, ফয়জার রহমান জানান, বোরো ধানের তুলনায় আমরা কম খরচে আউশ ধান আবাদ করে ভাল ফলন পেয়েছি, যা আশা করিনি।
উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ জানান, কৃষকরা এবার ব্রি-ধান ৪৮ আউশ চাষ করেছেন। অন্যান্য বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে আউশ ধানের ফলন ভালো হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ, সার ও সেচ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামীমুর রহমান বলেন, এই উপজেলার কৃষকরা পূর্বে স্থানীয় আউশ ধানের আবাদ করত। এই বছর আমরা কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে উচ্চ ফলনশীল নতুন ব্রি.ধান-৪৮ আবাদ করার পরামর্শ দেই । এছাড়াও বীজ সংরক্ষণের জন্য ড্রাম, পলিথিং এবং পাঠের বস্তা কৃষকদের দেওয়া হয়। কৃষকরা আমাদের পরামর্শে উক্ত জাতের ধান চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছে। তাদের এ ফলন দেখে এবং তুলনামূলক খরচ কম হওয়ায় এলাকার অন্যান্য কৃষক আগাম বীজ পাওয়ার জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছে।

পুরোনো সংবাদ

রংপুর 4074010114818643906

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

কৃষিকথা

ফেসবুক লাইকপেজ

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item