হরিপুরের কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক কর্মচারীরা চরম সংকটে


জে.ইতি হরিপুর ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
করোনার প্রাদুর্ভাবে সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মত ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ১৮টি কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে আছে। এ সব স্কুলের শিক্ষক কর্মচারীরা স্কুল বন্ধ থাকার কারণে বেতন না পেয়ে চরম অর্থ সংকটে পড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে মানববেতার জীবন-যাপন করছেন। অতি তারাতারি এ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীরা হরিপুর কিন্ডারগার্টেন এক্য পরিষদ (হকপ) এর মাধ্যমে মাসিক ভাতা হিসাবে প্রণোদনা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্বারক লিপি পেশ করবে বলে সূত্রে জানা গেছে।
উপজেলা কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক ও কর্মচারীদের সংগঠন ‘হরিপুর কিন্ডারগার্টেন ঐক্য পরিষদ’এর কমিটির সভাপতি হরিপুর র্রেইবো কিন্ডারগার্টেন স্কুলের পরিচালক খলিলুর রহমান বলেন, হরিপুর উপজেলায় ১৮ কিন্ডারগার্টেন স্কুল রয়েছে। করোনা ভাইরাস রোধে ১৮ মার্চ থেকে সরকারি সিন্ধান্ত অনুযায়ী এ যাবত পর্যন্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২৩৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষার্থীদের বেতনের উপরই এসব প্রতিষ্ঠান নির্ভরশীল। স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের বেতন আদায়ও সম্ভব হচ্ছে না। ৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীর প্রতিমাসে ৫০ হাজার টাকা বেতন পরিশোধ করতে হয়। মার্চ মাস পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করার মত অর্থ আমাদের কাছে নেই।  কিন্ডারগার্টেনের মালিকরাও অর্থসংকটে পড়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন, বাড়িভাড়া, সংসার পরিচালনা এবং বিদ্যুৎ বিল দিতে পারছেন না। করোনার দুর্যোগকালে কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক-কর্মচারীরা মানববেতর জীবনযাপন করছেন। তাই স্কুল বন্ধ থাকাকালীন শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসিক ভাতা হিসাবে প্রণোদনা, রেশনের ব্যব¯'া, স্কুল ভবণের ভাড়া মওকুফ ও স্বল্পসূদে ঋণ প্রদানের দাবি জানিয়েছেন কিন্ডারগার্টেন স্কুল পরিচালকরা।
হরিপুর কিন্ডারগার্টেন (হকপ) কমিটির সাধারণ সম্পাদক সমিরউদ্দীন বলেন, এসব স্কুলে কর্মরত শিক্ষকরা বর্তমানে পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে গেছে। আয় উপর্জন বন্ধ থাকায় তারা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। পরিবার পরিজন নিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে। এসব কিন্ডারগার্টেন স্কুল বেশির ভাগই ভাড়া বাসায় প্রতিষ্ঠিত। যারা স্কুলগুলো পরিচালনা করেন তারাও বাড়ি ভাড়া পরিশোধ করতে পারছেন না। ফলে এসব কিন্ডারগার্টেন স্কুল টিকে থাকা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। 
এবিষয়ে হরিপুর উপজেলা নিবার্হী অফিসার আব্দুল করিম বলেন, ইতিমধ্যে ১৪৭জন শিক্ষক -কর্মচারীকে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। তাদের জন্য আপাতত আলেদাভাবে কোন সরকারি সাহায্য না থাকায় কোন সহযোগিতায় আসতে পারছি না, তবে আমার কাছে স্বারক লিপি দিলে আমার কতৃপক্ষেকে জানানো হবে। 

পুরোনো সংবাদ

শিক্ষা-শিক্ষাঙ্গন 5062300610614522016

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item