যাত্রীবাহী এ্যাম্বুলেন্স কে আটকের পর ফেরৎ


আব্দুল আউয়াল ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ে করোনা প্রতিরোধে তৎপর প্রশাসন। ঠাকুরগাঁও জেলার ২ উপজেলা হরিপুরে ২ জন ও পীরগঞ্জে ১ জন সহ মোট তিন জন করোনা শনাক্তের পর। ঠাকুরগাঁও জেলাকে ইতিমধ্যে লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম।

ওই ঘোষণায় বলা হয় লকডাউনে ঠাকুরগাঁও জেলা হতে কেউ বের হতে ও প্রবেশ করতে পারবেনা। এরই অংশ হিসেব লকডাউন সফল করতে নানা রকম সচেতনতা মূলক কার্যক্রম সহ ঠাকুরগাঁও সীমান্ত কঠোর নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ প্রশাসন। বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। অন্যান্য জেলা থেকে আগত সকল গাড়িতে চলছে পুলিশের চিরুনী অভিযান। বাদ যায়না এ্যাম্বুলেন্সও।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের ২৯ মাইল চেকপোস্টে ৬ জন যাত্রীসহ  একটি এ্যাম্বুলেন্স আটক করে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশ ।

আটকের পর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ তানভিরুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ-আল-মামুনকে বিষয়টি জানালে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে উপস্থিত হয়ে এম্বুল্যান্সটিকে ফেরত পাঠান।

এসময় তিনি বীরগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানান তিনি যেন তাদের সীমানা থেকে এই এম্বুলেন্সকে ফেরত নিশ্চিত করেন। এসময় তার নির্দেশনায় ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ, বীরগঞ্জের ওসিকে টহল মারফত এটিকে দিনাজপুর সীমান্ত পার করিয়ে দেয়।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ওসি তদন্ত গোলাম মর্তুজাসহ সদর থানা পুলিশের চৌকস অফিসারগণ।

এ বিষয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তানভিরুল ইসলাম বলেন, করোনা প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা ও লকডাউন সফল করতে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের অটুট ভূমিকা থাকছে প্রতিদিন। আমাদের কাছে তথ্য ছিলো ঢাকা থেকে আসা বিভিন্ন যাত্রী রংপুরে নেমে সেখানে একজনে রোগী সাজিয়ে একটি এ্যাম্বুলেন্সে করে ঠাকুরগাঁও আসছে। আমরা প্রথমে যাত্রীবাহী অ্যাম্বুলেন্সটিকে ২৯ মাইল চেকপোস্টে আটক করি পরে ইউএনও মহোদয়কে খবর দেই। ইউএনও মহদোয়ের সহযোগিতায় অ্যাম্বুলেন্সটিকে ফেরৎ পাঠানো হয়। সদর থানা পুলিশ এম্বুলেন্সটিকে দিনাজপুর সীমানা পার করে দেয়।

পুরোনো সংবাদ

নির্বাচিত 3425302190139073227

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

কৃষিকথা

ফেসবুক লাইকপেজ

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item