নীলফামারীতে টিসিবির পণ্য কিনতে দীর্ঘ লাইন


নীলফামারী প্রতিনিধি ১৬ এপ্রিল॥ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারি বিপর্ণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ব্যাপক চাহিদার মধ্যে নীলফামারীতে পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার(১৬ এপ্রিল/২০২০) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জেলা শহরের ডিসির মোড়ে ভ্রাম্যমান ট্রাকে বিক্রয় করা হয় টিসিবির পণ্য। সামাজিক দূরত্ব মেনে পণ্য ক্রয়ের দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীর। কিন্তু ক্রেতাদের চাহিদার তুলনা সরবরাহ ছিল অপ্রতুল।
পণ্য কিনতে এসেছিলেন বেসরকারী বিদ্যালয়ের শিক্ষক যাদব চন্দ্র রায় (৫০)। তিনি কেনার সুযোগ পেয়েছেন দুই লিটার ভোজ্য তেল, এক কেজি করে চিনি ও ছোলা বুট। তিনি পণ্য কিনে অনেকটাই অতৃপ্ত। এসময় তিনি বলেন, তেল কেনার ইচ্ছা ছিল ৫ লিটার। ছোলা বুট, মসুরডাল, চিনি পাঁচ কেজি করে। কিন্তু ৫ লিটারের তেল শেষ হওয়ায় পেয়েছি দুই লিটার, চিনি এক কেজি, ছোলা এক কেজি করে। কেরার ইচ্ছা থাকলেও পাইনি মসুর ডাল।
অপর ক্রেতা ক্রেতা ছিলেন জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের হঠাৎপাড়া গ্রামের আমিনা বেগম (৪৫)। তিনিও চাহিদার তুলনায় সরবরাহ পেয়েছেন কম। এরপরও বাজার দরের চেয়ে কমদামে পণ্য কিনতে পেরে খুশি তিনি।
জেলা শহরের কুখাপাড়া গ্রামের ফেরদৌস আলম (৪৪) বলেন, কষ্টকরে হলেও লাইনে দাঁড়িয়ে পণ্য কিনলাম। কিন্তু চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম পেয়েছি। তুলনামূলক দাম কম হওয়ায় বেশী চাহিদা থাকায় সরবরাহ বাড়ানোর দাবি সকলের বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এসময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পণ্য বিক্রয় ও ক্রয় করার নিদের্শ দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(নীলফামারী সার্কেল) রুহুল আমিন। তিনি জানান, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় পুরো জেলাকে লকডডাউন করা হয়েছে। আজকে থেকে নীলফামারী টিসিবি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষ নিজ নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে এসেছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য সকলকে পণ্য ক্রয় করার সময় মাস্ক পরিধান ও তিন ফিট দূরত্ব বজায় রাখার আহবান জানানো হয়। পাশাপাশি যারা টিসিবির পণ্য বিক্রয় করছেন তাদেরকে মাস্ক ও হান্ড গ্লাভস পরে পণ্য বিতরণে নির্দেশ দেন তিনি।
জেলা শহরের টিসিবির ডিলার অভি এন্টারপ্রাইজের মালিক সত্যেন্দ্র নাথ রায় বলেন, গত ১ এপ্রিল থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু হলে এবারই প্রথম সরবরাহ পেয়েছেন তিনি। সরবরাহ পাওয়া পণ্যের মধ্যে রয়েছে ভোজ্য তেল তিন হাজার লিটার, চিনি তিন মেট্রিক টন, বুট ছোলা দুই হাজার ৪০০ কেজি, মসুরডাল ৪৫০ কেজি। এসব পণ্য তিন দিনে সমহারে ভ্রাম্যমান ট্রাকে পৃথক পৃথক স্থানে বিক্রি করা হবে। তিনি জানান, জেলা সদরে টিসিবির সাতজন ডিলার রয়েছে। করোনা প্ররিস্থিতির কারণে তিনি একাই পণ্য উত্তোলন করে বিক্রি করার অনুমতি পান।
জেলা প্রশাসক হাজিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নীলফামারী জেলাকে লকডাউন করা হয়েছে। আসন্ন পবিত্র মাহে রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বৃহস্পতিবার থেকে জেলার ছয় উপজেলায় টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এছাড়াওবাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে নির্বাহী ম্যাজিস্টেটের নেতৃত্বে মোবাইল টিম কাজ করবে।

পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 3522140322480805422

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

কৃষিকথা

ফেসবুক লাইকপেজ

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item