শ্বাসরুদ্ধ জয়ে বাংলাদেশের সিরিজ নিশ্চিত

অনলাইন ডেস্ক



শেষ ওভারে আল আমিনের পঞ্চম ডেলিভারিতে আম্পায়ার ভুল সিদ্ধান্ত না নিলে ম্যাচের ফলাফলটা অন্যরকমও হতে পারতো। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, আল আমিনের বাউন্সারটি ডোনাল্ড টিরিপানোর মাথার উপর দিয়ে চলে যায়। কিন্তু আম্পায়ার সেটিকে ওয়াইড দেননি। অথচ ওই সময় জিম্বাবুয়ের জয়ের জন্য দরকার ছিলো দুই বলে ৬ রান। ম্যাচের শেষ বলটি অবশ্য আল আমিনের মুন্সিয়ানায় পার পেয়ে যায় বাংলাদেশ। তুলে নেয় ৪ রানে ঘাম ঝরানো জয়।
তবে টিনোটেন্ডা মুতম্বজি ও ডোনাল্ড টিরিপানোর অসাধারণ ব্যাটিংয় বাংলাদেশ দলের মনে ভয় ধরিয়ে গেছে। আল আমিনের শেষ ওভারে দরকার ছিলো ২০ রান। কিন্তু ১৬ রান নিয়ে তাদের ইনিংস থামে ৩১৮ রানে।


 চারটি অর্ধশতকের ইনিংসে শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ৩১৮  রান সংগ্রহ করে মুতুম্বোজি-তিরিপানোরা। বাংলাদেশের পক্ষে ৩টি উইতেট দখল করেন তাইজুল ইসলাম। এছাড়া মাশরাফী, শফিউল, মিরাজ ও আল-আমিন ১টি করে উইকেট পান।
জিম্বাবুয়ের ওপেনার চাকাভাকে ২ রানে ফেরান শফিউল। আর টেইলর ১১ করে রান আউট হন। এরপর উইলিয়ামসও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। মিরাজের বলে ১৪ রান করে লেগ বিফোরেএ ফাঁদে পড়েন তিনি। এরপর, ওপেনার কামুনহুকামওয়ের সঙ্গে চাপ সামলে নেয়ার চেষ্টা করেন মাধেভের। দুজনই পেয়েছেন অর্ধশতক। কামুনহুকামওয়ে ৫১ রান করে তাইজুলের বলে বোল্ড হন। এরপর, মাধেভেরকেও ব্যক্তিগত ৫২ রানে আউট করেন তাইজুল। তখন জিম্বাবুয়ের রান ছিলো ৩৬ ওভারে ১৮৩ রান।



তারপর, মুতুম্বামিকে নিজের তৃতীয় শিকারে পরিণত করেন তাইজুল। জিম্বাবুয়ের ইনিংসের তৃতীয় ফিফটিটি তুলে নেন সিকান্দার রাজা। টাইগার ক্যাপ্টেন মাশরাফীর বলে আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে রোডেশিয়ানদের ইনিংসের সর্বোচ্চ ৬৬ রান। শেষদিকে ম্যাচ জমিয়ে তুলেন মুতুম্বোজি ও তিরিপানো। তবে, খেলার শেষ ওভারে ২১ বলে ৩৪ রান করা মুতুম্বজিকে আউট করেন আল-আমিন। তিরিপানো অপরাজিত থাকেন।

এর আগে, তামিম ইকবালের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৮ উইকেটে ৩২২ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ। টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনিংয়ে ভালো করতে পারেনি টাইগাররা। ব্যাক্তিগত ৯ রান করে রান আউট হন লিটস দাস। এরপর, শান্তও রান আউট হন ৬ রান করে। দলের রান তখন ৬৫। তারপর তামিমেম সঙ্গে হাল ধরেন মুশফিক। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৮৭ রান জড়ো করেন এ দুজন। মাধেভেরের বলে আউট হওয়ার আগে মুশফিক তুলে নেন ফিফটি। তার ব্যাট থেকে আসে ৫০ বলে ৫৫ রান।

এরপরে, মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে ৪র্থ উইকেট জুটিতে ১০৬ রান করেন তামিম। এর মাঝে নিজের সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। মাহমুদউল্লাহ আউট হন ৫৭ বলে ৪১ রান করে। পরে, তামিমের ১৩৬ বলে ১৫৮ রানের রেকর্ড গড়া অনবদ্য ইনিংসের শেষ হয় মাম্বার বলে মুতুম্বজির হাতে ক্যাচ দিয়ে। ওয়ানডেতে এটাই তামিম ইকবালের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। ক্যারিয়ারে ১২তম শতক পেলেন তিনি। এর আগে, এ ইনিংস খেলার সময় নাম লিখিয়েছেন ৭ হাজার রানের ক্লাবেও। তামিম আউট হওয়ার সময় টাইগারদের রান ছিলো ২৯২।

ইনিংসের শেষদিকে মোহাম্মদ মিঠুনের ঝড়োগতির ১৮ বলে ৩২ রানে প্রথম ওয়ানডের পর দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও ৩২২ রানের বড় স্কোর গড়ে মাশরাফীর দল। রোডেশিয়ানদের পক্ষে মাম্বা ২টি উইকেট শিকার করেন।

পুরোনো সংবাদ

খেলাধুলা 7761792753268983023

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

কৃষিকথা

ফেসবুক লাইকপেজ

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item