নীলফামারীতে চারদিন ব্যাপী আন্তজার্তিক চারুকলা উৎসব সমাপ্ত

ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়, বিন্ন্যাদিঘি থেকে॥ নীলফামারীর নীলসাগরের বিন্যাদিঘি চত্বরে চারদিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক চারুকলা উৎসবের/২০২০ আর্ট ক্যাম্প সমাপ্ত হয়েছে।  দেশ বিদেশের বরেণ্য ও খুদে শিল্পীদের আঁকা ছবির প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে শনিবার বিকালে শেষ হলো চারদিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক চারুকলা উৎসব/২০২০। উৎসবে আঁকা চিত্রকর্মগুলো নিয়ে ২৫ থেকে ৩০ এপ্রিল বিশেষ প্রদর্শণী অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারিতে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে দুইশ জন খুদে তরুণ শিল্পীদের হাতে সনদপত্র ও বই তুলে দেন প্রধান অতিথি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি।
তিনি বলেন, ভাষার মাসে নীলকর প্রখ্যাত এলাকায় নীলফামারীতে দুইশ খুদে চিত্র শিল্পী ও তিনশ বেশি খুদে কবি রয়েছে। এরাই দেশের ভবিষ্যত।
তারা বিশ্বের মাঝে বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশকে গড়বিত করবে। আজ যদি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান পাকিস্তানিদের হাত থেকে যদি এই দেশকে রক্ষা না করতো, আন্দোলন না করতো তাহলে তোমরা স্বাধীনভাবে ছবি আঁকতে পারতা না। এই দেশ মেধা শূণ্য হয়ে থাকতো। তাই তোমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করবে।
মন্ত্রী বলেন, ছবি আঁকা শুধু কাগজে হয় না, কম্পিউটারেও আঁকা যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা বিভাগে গ্রাফিক ডিজাইন করা হয়। বিশ্বের জনপ্রিয় কার্টুন কুংফু পান্ডা এনিমেটরও একজন বাঙ্গালী। তাই বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিদের্শে আইসিটি বিভাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি আধুনিক অ্যানিমেশন ও ডিজাইন ল্যাব স্থাপন করবো। আইসিটির উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় নীলফামারী সহ ৬৪টি জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার তৈরী করার নিদের্শে দিয়েছে। আসাদুজ্জামান নূর একটি জায়গা দিলেই ১০০কোটি টাকা ব্যয় এই সেন্টারটি নির্মান করা হবে। এটি নীলফামারী বাসীকে উপহার দিয়ে গেলাম।
উৎসব আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক নীলফামারী সদর আসনের সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূরের সভাপতিত্বে  বক্তব্য রাখেন চারুকলা উৎসবটির আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস এবং কিউরেটর সহকারী অধ্যাপক হারুন অর রশিদ টুটুল নীলফামারীর জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ সুপার মোখলেছুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজাহারুল ইসলাম, ভিশন-২০২১ এর প্রধান সমন্বয়কারী ও উৎসব আয়োজন কমিটির সদস্য সচিব ওয়াদুদ রহমান।
চারদিনের উৎসবে ছবি আঁকার পাশাপাশি ছিল জারি, সারি, পালা গান, বাউল গান, লোকো গান, বীর গীত, পুথি পাঠ, হরি কীর্তনের আসরও। ছিল বানদী, হাড়ি ভাঙ্গা, লাঠি খেলাও।
শিল্পকলা চর্চার মাধ্যমে মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন ভবিষ্যৎ প্রজম্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে ক্ষুদে, তরুণ আর গুণি শিল্পীদের এই মিলন মেলার আয়োজন ছিল।
উল্লেখ যে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে  শুরু হওয়া এই উৎসবটি উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে,এম খালিদ। উদ্ধোধন করেছিলেন বরেণ্য শিল্পী অধ্যাপক রফিকুন নবী এবং বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু। উৎসবটি বাস্তবায়নে ভিশন-২০২১ সংগঠনের ১৫০ সেচ্ছাসেবী কাজ করেছিল। #

পুরোনো সংবাদ

শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি 353954571018972165

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

কৃষিকথা

ফেসবুক লাইকপেজ

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item