নীলফামারীতে ভোগান্তির এখানেই শেষ নয় বিআরটিএ অফিসে

ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়, নীলফামারী প্রতিনিধি ৩ ফেব্রুয়ারি॥ সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কার্যকর হয়েছে নতুন সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮। জড়িমানার ভয়ে হউক বা আইনকে সম্মান জানাতে, যানবাহন মালিক ও চালকরা ছুটছেন বিআরটিএ অফিসে। তবে যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে যাওয়া মানুষের হয়রানীর যেন শেষ নেই।
প্রক্রিয়া জটিল হওয়ায় এসব সেবা পেতে হয়রানীর শিকার হতে হচ্ছে মানুষকে।
আজ সোমবার(৩ ফেব্রুয়ারি/২০২০) দুপুরে নীলফামারী বিআরটিএ অফিসের সামনে দেখা যায় উপচে পড়া ভিড়। গাড়ীর মালিক ও চালকরা অভিযোগ করে জানায় জেলা সদরের কোন ব্যাংকে লাইসেন্সের টাকা জমা দেয়ার সুবিধা না নেই। এরজন্য যেতে হয় ৩০ কিলোমিটার দুরে সৈয়দপুর উপজেলা শহরে। হয়রানী কমাতে প্রক্রিয়া আরও সহজ করার পাশাপাশি জেলা সদরসহ অন্যান্য উপজেলাগুলোর ব্যাংকগুলোতেও এসব সেবা চালুর দাবি যানবাহন চালক ও মালিকদের। যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন বা ড্রাইভিং লাইসেন্স এসব করতে কয়েক ধাপে ধর্ণা দিতে হয় যানবাহন মালিক ও চালকদের।
এদিকে ভীড় বেড়ে যাওয়ায় সাধারন ব্যাংকিং কার্যক্রমের পাশাপাশি লাইসেন্স ফি জমা নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সৈয়দপুর শাখা শাহজালাল ইসলামী ব্যাংককে। ব্যাংকে ব্যবস্থাপক, মোহাম্মাদ করিমুল্লাহ জানান জনবল সংকটের মধ্যেও সেবা দিচ্ছি আমরা।
জেলা বিআরটিএ অফিসের পরিদর্শক নুরুল ইসলাম জানান, আমরা গাড়ীর মালিক চালকদের সহজে কাজ করে দিচ্ছে। প্রতিদিন শতশত আবেদন পড়ছে। ফলে কাজের চাপ বেড়ে গেছে। এতে আগতদের একটু ভোগান্তি হতেই পারে। ব্যাংকে টাকা জমার বিষয়ে তিনি বলেন এখন অনলাইনে টাকা জমা দেয়ার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
নীলফামারীর  ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক আজাদ হোসেন খান, গাড়ী ও ড্রাইভিং লাইন্সের প্রক্রিয়াটা আরো সহজ করা প্রয়োজন। মানুষজনের মাঝে এসবে আগ্রহ বেড়েছে। #

পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 8048011919813073384

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

কৃষিকথা

ফেসবুক লাইকপেজ

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item