ডোমার উপজেলা ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা- হিমেল বাতাস ও প্রচন্ড ঠান্ডায় কাবু শিশু-বৃদ্ধরা

এ.আই.পলাশ.চিলাহাটি,নীলফামারী প্রতিনিধি:  প্রচন্ড ঠান্ডায় ঘর থেকে বের হয়ে কাজের সন্ধানে যাওয়া কর্মজীবি মানুষের সংখ্যা কমে গেছে বললেই চলে। দিন শেষে একটু সূর্যের আলো দেখা পাওয়া গেলেই সেই স্থানে একটু উষ্ণ তাপের জন্য ছুটছে ঠান্ডায় কাবু হওয়া মানুষগুলো। এই পৌষের তীব্র ঠান্ডায় গ্রাম অঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষগুলো খড়কুটো জ্বালিয়ে কিছুটা উষ্ণতা পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে আসছে।
ভারতের হিমেল পাহাড়ের কাঞ্চনজঙ্ঘা চুড়াটি কাছে হওয়ায় প্রায় এক সপ্তাহ যাবত নীলফামারী জেলা সহ পাশ্ববর্তী জেলাগুলোতেও শীতের তীব্রতার ঠিক একই চিত্র, দেখে মনে হয় শীত যেন জেঁকে বসেছে। হাজার হাজার গ্রামাঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষরা শীতবস্ত্র বিতরণের একটু খবর পেলেই ছুটছে সেই স্থানে। ভাগ্যচক্রে দুই/একটি পরিবার শীতবস্ত্র পেলেও বাকিরা খালি হাতে চলে যায়।
এর মূল কারণ, যেকোন দানশীল ব্যক্তি বা কোন এনজিওর পক্ষ থেকে কোন প্রকার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলে পূর্ব থেকেই ২৫০/৩০০ পরিবারের নাম লিপিবদ্ধ করা হয় এবং এই পরিবারগুলোর মধ্যেই কম্বল প্রদান করা হয়। অথচ সেই স্থানে ছুটে আসে একটি কম্বলের জন্য শত শত মানুষ। নীলফামারী জেলার প্রতিটি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সামান্য কিছু কম্বল বিতরণ করা হলেও এখনও শত শত নিম্ন আয়ের মানুষরা প্রশাসনের দিকে তাকিয়ে আছে একটি কম্বলের জন্য। অপরদিকে, এই প্রচন্ড ঠান্ডায় বিভিন্ন ঠান্ডা জনিত রোগে ভুগছে শিশু ও বৃদ্ধরা। বিশেষ করে ছোট ছোট শিশুরা ডাইরিয়া, নিউমোনিয়া, জ্বর, বমি সহ বিভিন্ন সংক্রামক জনিত রোগে ভুগছে। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধারা ঘর থেকে বের হওয়া তো দুরের কথা বিভিন্ন ব্যথা জনিত রোগে কাতর হয়ে আছে। এ ব্যপারে ডোমার উপজেলা বোড়াগাড়ি পঞ্চাশ শয্যা হাসপাতালের স্বাস্থ্য প.প. কর্মকর্তা ডা.মোহাম্মদ ইব্রাহিম-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই ডোমার উপজেলার মধ্যে উপ-স্বাস্থ্রকেন্দ্র রয়েছে ৮টি, পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক ১০টি এবং কমিউনিটি ক্লিনিক ২৮টি। আমি এখানে যোগদানের পর থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকলল্পনা বিষয়ে ব্যপক দৃষ্টি রেখেছি। এবং এলাকার মানুষ যাহাতে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত না হয় সেই দিকে প্রত্যেকটি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, চিলাহাটি উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা এ্যাসিসটেন্ড মেডিকেল অফিসার ডা.সোহেল রানা বলেন, “প্রতিদিন অসংখ্য নবজাতক শিশু সহ বিভিন্ন বয়সের শিশুদের রোগীর সংখ্যা সব থেকে বেশি। তবে ডাইরিয়া, নিউমোনিয়া ও জ্বরে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েই চলছে এই ঠান্ডার কারনে। শিশু ও বৃদ্ধদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেন”। দেশের বেশিরভাগ স্থানে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় সমান হওয়ার কারনে শীতের অনুভুতি বেশি মনে হচ্ছে।

পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 5972052991882930388

অনুসরণ করুন

মুজিব বর্ষ

Logo

সর্বশেষ সংবাদ

শিল্প-সাহিত্য

ফেসবুক লাইকপেজ

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

তারিখ অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item