নীলফামারীতে সওজের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলছে

ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়, নীলফামারী ৩০ অক্টোবর॥ নীলফামারীর ডোমার হয়ে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা পর্যন্ত  আঞ্চলিক মহাসড়কের জন্য নীলফামারীর অংশের ২২ কিলোমিটার এলাকায় ৫ বছর আগে তিনগুন মূল্য দিয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগ জমি অধিগ্রহন করেছিল।
কিন্তু জমির মালিককরা তাদের সেই জায়গা জমি না ছেড়ে সেখানে একের পর এক অবকাঠামো, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মান করে বসে। যার সংখ্যা প্রায় পাঁচশতাধিক।
আজ বুধবার(৩০ অক্টোবর) সকাল হতে এ সমস্ত অবৈধ দখল উচ্ছেদ শুরু করে নীলফামারীর সড়ক ও জনপদ।
এই উচ্ছেদ অভিযানের আগে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও অবৈধ স্থাপনা নির্মানকারীদের নোটিশ প্রদান ও সর্বপরি গত চার দিন ধরে সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে মাইকিং করে উচ্ছেদ অভিযানের জানান দেন যার যার স্থাপনা ও মালামাল সরিয়ে নিন।
কিন্তু কে শোনে কার কথা। ওই সব মানুষজন ছিল তাদের মতোই। অবশেষে সকাল ১০টায় হতে ৩টি  বুলডোজার দিয়ে শহরের গাছবাড়ি হতে উচ্ছেদ শুরু  হলে একে একে ভেঙে পড়ে স্থাপনাগুলো। উচ্ছেদ অভিযান দেখতে শতশত উৎসুখ জনতা ভিড় করেন। এ সময় নীলফামারী-ডোমার সড়কের তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের সহায়তায় চলমান এই অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ঢাকা জোনের এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা যুগ্ম সচিব মো. মাহবুবুর রহমান ফারুকী এবং নীলফামারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌলশী মনজুরুল করিম।
উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে নীলফামারী সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী একলাছ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, নীলফামারী-ডোমার হয়ে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা মহাসড়কের সঙ্গে লিঙ্ক সড়ক হিসাবে এটি আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীতকরণ এবং ডোমারের প্রধান সড়কের প্রশস্থকরণের জন্য অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে। অবৈধ দখলদারদের নোটিশ দিয়ে এবং মাইকিং করে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অধিকাংশ দখলদার অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি। তিনি বলেন অবৈধ স্থাপনা যারই হোক তা উচ্ছেদ করা হবে। এ ব্যাপারে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
বুধবার প্রথম দিন ওই সড়কের ৫ কিলোমিটার এলাকার দুই ধারে এই উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদ অভিযান ২২ কিলোমিটার পর্যন্ত চলবে। #

পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী সদর 2240788704797374220

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

শিল্প-সাহিত্য

ফেসবুক লাইকপেজ

তারিখ অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item