চিলাহাটি রেলষ্টেশনে কালো বাজারে টিকিট বাণিজ্য চরমে।

আনিছুর রহমান মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি>>
ডোমার উপজেলার চিলাহাটি রেলষ্টেশনে ঢাকাগামী নীলসাগর ট্রেনের কালো বাজারে টিকিটের বাণিজ্য চরম আকার ধারণ করেছে।
বুকিং অফিস, রেলের কর্মচারী, আশ পাশের চা ও পানের দোকানসহ কিছু সংখ্যক মহল এ টিকিট বানিজ্যে জড়িয়ে পড়েছে। ফলে ঢাকাগামী অসহায় ট্রেনের যাত্রীরা একটি টিকিট দ্বিগুন দামে কালোবাজারীদের কাছ থেকে কিনতে হচ্ছে। এষ্ট্রা টিকিট বরাদ্দ থাকলেও যাত্রীদের ভাগ্যে তা মিলছে না।         

স্থানীয় একাধীক সূত্র জানান, এবার ঈদ উপলক্ষে চিলাহাটি রেলষ্টেশনে আগাম টিকিট ছাড়ার সময় থেকে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। শুরু থেকে একই ব্যাক্তিকে প্রতিদিন টিকিট দেওয়ায় বৈধ্য যাত্রীদের ভাগ্যে কাউন্টার থেকে টিকিট মেলেনী। নিরুপায় হয়ে ঢাকাগামী যাত্রীরা চোরাকারবারীদের কাছ থেকে দ্বি-গুন দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে টিকিট। ঈদের ইমেস শেষ হলেও এখন চিলাহাটি ষ্টেশনে কালো বাজারে টিকিট বানিজ্য চলছে। দিনের বেলা যাত্রীরা কাউন্টারে ধর্না দিলেও  মেলেনা ট্রেনের টিকিট। অথচ কাউন্টারের পাশে দাঁড়িয়ে চোরাচালানীরা চড়া দামে টিকিট বিক্রি করছে। অনেক সময় চোরাচালানীরা যাত্রীদের কাছে বাড়তি টাকা নিয়ে কাউন্টার থেকে টিকিট এনে দেয়। এতে চোরাচালানীদের সাথে চিলাহাটির বুকিং সহকারীরাও জড়িয় বলে একাধীক যাত্রী অভিযোগ করেন। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে ট্রেন ছাড়ার সময় পর্যন্ত ষ্টেশনে ঘুরে ঘুরে যাত্রীদের কাছে চড়া দামে টিকিট বিক্রি করলেও দেখার বা বলার কেউ নেই। সূত্রটি আরো জানান, হাতে গোনা কয়েকটি ছেলে সকাল দুপুর বিকাল সন্ধ্যা সব সময় রেলষ্টেশনে পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে অনেকে এ টিকিট বানিজ্যর সাথে জড়িত।
ষ্টেশন সংলগ্ন ২/১ টি দোকানদার প্রকাশ্যে চড়া দামে টিকিট বিক্রি করে আসছে। স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম বলেন, চিলাহাটি রেলষ্টেশনে টিকিট নিয়স্ত্রন করে আসছে কালোবাজারীরা। আমরা বুকিং অফিসে গেলে বলে টিকিট শেষ। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য টিকিটের কোন কোঠা নেই। অপর বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলাম বলেন,  ঈদ থেকে দেখে আসছি চিলাহাটি রেলষ্টেশনে টিকিট সব সময় কালোবাজারীদের দ্বারা বিক্রি হচ্ছে। যার ফলে অনেকেই কাউন্টারের আশা ছেড়ে দিয়েছে। তাছাড়া বেশী ভাগ সময় টিকিট কাউন্টার বন্ধ রাখা হয় কালোবাজারীর টিকিট বিক্রির জন্য। স্থানীয় খোকা বলেন, চিলাহাটি রেলষ্টেশনে নামেই টিকিট কাউন্টার আছে। কালোবাজারীদের কারণে সাধারণ যাত্রীরা দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে।। বুকিং সহকারী আবু কাওছার ও নাছির উদ্দিন সাগর বলেন, আমরা অনেকটা সচ্ছতা নিয়ে এসেছি। আমাদের বিরুদ্ধে লিখে কোন লাভ হবে না। কারন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করে আমাদের এখানে নিয়ে এসেছে। ষ্টেশন মাষ্টার মোমিন উদ্দীন প্রামানিক বলেন, টিকিট সংক্রান্ত সব কিছু বুকিং অফিস বলতে পারবে। অনিয়ম ব্যাপারে কোন লিখিত অভিযোগ পেলে তা আমি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবো।

পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 8217585747113166814

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

শিল্প-সাহিত্য

ফেসবুক লাইকপেজ

তারিখ অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item