গ্রেফতার আতংকে জলঢাকায় আ.লীগের শীর্ষ নেতারা

বিশেষ প্রতিনিধি॥ গ্রেফতার আতংকে নীলফামারীর জলঢাকার সাবেক সাংসদ গোলাম মোস্তফা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনছার আলী মিনটু সহ আ.লীগের শীর্ষ নেতারা। ফলে উপজেলার জুড়ে দলের নেতাকর্মীরা গা-ঢাকা দিয়েছে।
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায়  জাতীয় শোক দিবসের দিন আওয়ামীলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি মামলায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করেছে। ফলে দুই পক্ষের আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা গ্রেফতার এরাতে গা ঢাকা দিতে বাধ্য হয়েছে।

জানা যায় একটি মামলার বাদী হয়েছেন জলঢাকা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আনসার আলী মিন্টু এবং অপরটির বাদী হয়েছেন সাবেক সাংসদ গোলাম মোস্তফার অনুসারী জলঢাকা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আশরাফ আলী। দুই গ্রুপের মামলাতেই উপজেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা আসামী হয়েছে।
এদিকে পুলিশের হতে শুক্রবার রাতে গ্রেফতার হওয়া ব্যাক্তিরা হলো মোস্তাফা গ্রুপের  উপজেলার মীরগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক হেলালুজ্জামান হেলাল,একই ইউনিয়নের যুবলীগ সদস্য হারুন-অর রশিদ রাসেল এবং মিন্টু গ্রুপের  বালাগ্রাম ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি ইবনে নুর, ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আঃলীগ সদস্য ইন্দ্রোজিৎ রায়।
জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ১৮নম্বর মামলার বাদী আনসার আলীর এজাহারে ৭০জন এবং ১৯নম্বর মামলার বাদী আশরাফ আলীর এজাহারে ৬৭ জনকে আসামী করা হয়েছে।তিনি জানান, এছাড়াও পুলিশের উপর হামলা এবং আক্রমণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ২২জন আসামী রয়েছেন। এই মামলার বাদী হয়েছেন থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) আব্দুর রশিদ।
এলাকাবাসী জানায় এখন তিন মামলায় গ্রেফতারের ভয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা ও কর্মীরা সকলে গা-ঢাকা দিয়েছে।
সুত্র জানায়, দশম জাতীয় সংসদে নীলফামারী-০৩ আসনের সাবেক সদস্য ও জলঢাকা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফার অনুসারী পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আশরাফ আলীর মামলায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আনসার আলী মিন্টু, সাধারণ স¤পাদক সহিদ হোসেন রুবেল, শহর কমিটির সাধারণ স¤পাদক আব্দুল মজিদ এবং উপজেলা সভাপতি আনসার আলী মিন্টুর মামলায় সাবেক সাংসদ গোলাম মোস্তফা, শহর কমিটির সভাপতি আশরাফ আলী, সাবেক উপজেলা সভাপতি আব্দুল মান্নান, জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র ইলিয়াস হোসেন উল্লে-খযোগ্যদের তালিকায় রয়েছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(নীলফামারী সার্কেল) রুহুল আমিন বলেন, শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
উল্লেখ যে জাতীয় শোক দিবসে জলঢাকা শহরের বঙ্গবন্ধু চত্বরে উপজেলা আওয়ামীলীগের বিবাদমান দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে ৫ পুলিশ সহ ২২ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশকে ১৩ রাউন্ড করে মোট ২৬ রাউন্ড টিয়ার সেল ও রাবাব বুলেট নিক্ষেপ করতে হয়েছিল।#

পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 7236475819547917019

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

শিল্প-সাহিত্য

ফেসবুক লাইকপেজ

তারিখ অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item