হাটে শত শত অবৈধ দোকান থাকলেও সাংবাদিকের বৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের পায়তারা

মোঃ শামীম হোসেন বাবু-রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় ১৫টি হাট বাজারে শত শত অবৈধ দোকান পাট থাকলেও ২০ বছরের বেশি সময় ধরে বৈধ ভাবে বইএর ব্যবসা করা এক সাংবাকিকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে উচ্ছেদের নোটিশ দিয়েছে প্রশাসন। এতে দিশেহারা ওই সাংবাদিক  সুষ্ঠু তদন্ত করে ন্যায় বিচারের দাবিতে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন।
জানাগেছে, তারাগঞ্জ উপজেলার উত্তর ঘনিরামপুর এলাকার মৃত আশরাফ উদ্দিনের পুত্র মোঃ খবির উদ্দিন  ১৯৯৭ সাল থেকে উপজেলার গরুহাটি সংলগ্ন মেসার্স খুশবু বই ঘর নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে  সুনামের সাথে পুস্তকের ব্যবসা করে আসছেন। তিনি মেসার্স খুশবু বই ঘর নামে নিয়মিত ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ও আয়কর পরিশোধ করে আসছেন।  ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে তারাগঞ্জ সহকারি ভূমি কমিশনারের নিকট ভূমি বরাদ্দের জন্য আবেদন করলে তাকে একটি দোকানের জমি বরাদ্দ দেয়া হয়। খবির উদ্দিন ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেফাকের তারাগঞ্জ প্রতিনিধি। এছাড়া সাপ্তাহিক তারার আলো পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক।  ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পুস্তক ব্যবসার পাশাপাশি তিনি মাঝেমধ্যে সাংবাদিকতার কাজকর্ম ও করেন। তার এবং তার ভাইয়ের একমাত্র আয়ের উৎস এ বইয়ের ব্যবসা। এমতাবস্থায় চলতি সনের ১৯ এপ্রিল  তারাগঞ্জ সহকারি  ভূমি কমিশনার স্বাক্ষরিত উচ্ছেদের একটি নোটিশ পাঠানো হয়। এর প্রেক্ষিতে তিনি গত ২৩ এপ্রিল জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। এর পর  গত ৩ জুন রংপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) শাখা হতে ২৩ মে স্বাক্ষরিত পুনরায় উচ্ছেদের নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে ৭দিনের মধ্যে স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়। এতে সাংবাদিক খবির উদ্দিন ও তার পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
খবির উদ্দিন বলেন তারাগঞ্জ হাট-বাজারের একটি দোকানের(একটি দোকানেই আছে) ডিসিআর থাকা সত্বেও তাকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়া হয়েছে। অথচ হাটে শতাধিক অবৈধ দোকান রয়েছে তাদের কাউকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়া হয়নি।  তারাগঞ্জে ১৫টি হাট বাজারে শত শত অবৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।  তাদের কাউকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়া হয়নি। তিনি আরো বলেন খবর প্রকাশের জের ধরে সম্প্রতি  সাপ্তাহিক তারার আলো’র কন্ঠ রোধ করতে সম্পাদকের  নামে ডিজিটাল নিরাপত্তাসহ সুযোগ বুঝে মামলা দেয়ার হুমকি দিয়েছিলেন তারাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনিছুর রহমান লিটন। গত ২৯ মার্চে তার সম্পাদিত সাপ্তাহিক তারার আলো পত্রিকায় নির্দেশনা মানছেনা হিমাগার মালিকরা,রংপুর জেলায় কৃষকের লোকসান ১‘শ’ কোটি টাকা,আলুর বস্তার ধারণ ক্ষমতা বৃ্িদ্ধ করে কারচুপি সংবাদ প্রকাশ হয়। ওই খবর দেখে তিনি একজন হিমাগার মালিক হওয়ায় তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেন। তিনি ওই সময় বলেন আমরাও বসে থাকবও না সুযোগ বুঝে তারার আলো’র সম্পাদকের নামে ডিজিটাল আইনে মামলা করে তার সাংবাদিকতা করার সাধ মিটাবো এবং তারার আলো কেমন করে মার্কেটে চলে তা আমি দেখে ছাড়বো। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে ও তার পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস দোকান ঘরটি উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে সু বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। #

পুরোনো সংবাদ

রংপুর 2433867434202830771

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

শিল্প-সাহিত্য

ফেসবুক লাইকপেজ

তারিখ অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item