কিশোরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি না সরানোর কারনে মসজিদের নির্মাণ কাজ বন্ধ

 প্রচন্ড গরমে মসজিদের বারান্দায় নামাজ আদায় করছেন শতাধিক মুসুল্লি

মোঃ শামীম হোসেন বাবু,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)সংবাদদাতাঃ নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের মধ্যরাজিব চেংমারী গ্রামে  চতুর্থ তলা  মসজিদের নির্মাণ কাজে বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে পল্লী বিদ্যুতের একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ।
খুটিটি সরানোর দাবিতে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের সাব জোনাল অফিসার বরারর লিখিত আবেদন করার পরে খুটিটি না সরানোর কারনে  মসজিদের নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। ফলে প্রচন্ড গরমে  ওই গ্রামের শতাধিক মসুল্লি মসজিদের বারান্দায় অনেক কষ্টে নামাজ আদায় করছে।
গত বৃহস্পতিবার লিখিত অভিযোগ সুত্রে ও সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের মধ্যরাজিব চেংমারী গ্রামের মৃত কমে মামুদের ছেলে মৃত কছির উদ্দিন এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে ১৯৯২ সালে মসজিদের নামে ১৬ শতক জমি দানকবলা করে দিয়ে একটি আঁধাপাকা মসজিদ ঘর নির্মাণ করে দেন। মসজিদ নির্মাণের কিছুদিন পর  কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের লোকজন গিয়ে মসজিদের দক্ষিন দিকে পল্লী বিদ্যুতের একটি খুঁিট স্থাপন করে গ্রামে বৈদ্যতিক সংযোগ দেয়। কিন্তু গত কয়েক বছর থেকে মসজিদে মুসুল্লির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে মসজিদে জায়গা সংকুলান না হওয়ার  এলাকাবাসী মসজিদটির চতুর্থতলা ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনের সিদান্ত গ্রহন করে।  সিদান্ত মোতাবেক মসজিদের চতুর্থতলা বিল্ডিং নির্মাণ করার জন্য ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করে ১৬ টি কলামের মধ্যে ১৫ কলাম তৈরী করে কিন্তু মসজিদের দক্ষিন দিকে পল্লী বিদ্যুতের খুঁিটটি থাকার কারণে এবং মসজিদের উপর দিয়ে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ তার থাকার কারণে একটি কলাম নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছেনা। মসজিদ কমিটির পক্ষে পল্লী বিদ্যুতের খুটিটি সরানোর জন্য গত ১৯-৪-১৯ ইং তারিখে পল্লী বিদ্যুতের সাব জোনাল অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন করলে পল্লী বিদ্যুতের লোকজন গিয়ে খুঁিট সরানোর জন্য ১৫৯৭ স্বারক মুলে মসজিদ কমিটির সভাপতির কাছে ৭৭ হাজার ৪শত ৩৪ টাকা খরচ জমা দিতে বলে। 
মসজিদ কমিটির সভাপতি আতাইর রহমান ও সাধারন সম্পাদক রেজওয়ানুর রহমান বলেন,  মসজিদে জায়গা সংকুলান না হওয়ার কারণে আমরা অনেক কষ্ট করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার দানশিল ব্যাক্তিদের কাছে সাহায্য নিয়ে মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করেছি। কিন্তু পল্লী বিদ্যুতের খুঁিটটি থাকার কারণে আমাদের কাজ বন্ধ থাকায় সেটি সরানোর আবেদন করলে পল্লী বিদ্যুৎ থেকে আমাদের কাছে খরচ বাবদ প্রায় ৭৮ হাজার টাকা জমা দিতে বলা হয়েছে যা আমাদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়।
কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের সাব জোনাল অফিসার এজিএম  কাজী মোঃ সেফাত রেজা ইবনে হক বলেন, মসজিদ কমিটির লিখিত আবেদনের পেক্ষিতে সেখানে লোকজন পাঠিয়ে স্টিমেট করে খুঁিট সরানোর জন্য ওই পরিমাণ টাকা জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা এত টাকা দিতে না পারার কারনে আবারো গতকাল সেখানে লোক পাঠিয়েছিলাম । 

পুরোনো সংবাদ

নীলফামারী 5984600714388810401

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

কৃষিকথা

ফেসবুক লাইকপেজ

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item