শ্বাসরুদ্ধ ম্যাচে বাংলাদেশের পরাজয়

 শেষ হাসিটা হাসতে পারলো না টাইগাররা। আবারও তীরে এসে ডুবলো তরী। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় খেলায় জয়ের কাছাকাছি গিয়েও হেরে গেলো বাংলাদেশ।

শেষ ওভারে অর্থাৎ ছয় বলে দরকার ৮ রান। ক্রিজের স্ট্রাইকিং প্রান্তে মুশফিকুর রহিম, ওপ্রান্তে মোসাদ্দেক হোসেন। বোলার জ্যাসন হোল্ডার ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’র উদ্দেশে ছুড়লেন ‘ফুলটস’ বল। ফিরে এলো যেন ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের সেই দুঃসহ স্মৃতি। বল মুশফিক তুলে দিলেন সরাসরি ডিপ মিড উইকেটে দাঁড়ানো পলের হাতে। দুর্দান্ত খেলতে থাকা ‘সেট ব্যাটসম্যান’র ইনিংসের পরিসমাপ্তি। ম্যাচের ফলটাও সেই ভারতের সঙ্গে ম্যাচটির মতো, সেবার ১ রানে হারলেও এবার তার চেয়ে দু’ রান বেশি ব্যবধানে। স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় খেলায় মাত্র তিন রানে হেরে গেলো বাংলাদেশ। একেবারে তীরে এসে তরী ডোবানো যাকে বলে, ঠিক যেন সেটিই ঘটলো বাংলাদেশের ইনিংসে।

গায়ানায় সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে শেষ ওভারের নাটকীয় জয়ে সিরিজ ১-১-এ সমতা এনেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এর আগে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছিল ৪৮ রানে।

অবশ্য এই ম্যাচে বাংলাদেশ শুরু থেকেই বেশ সতর্ক ছিল। দলীয় ৩২ রানে ওপেনার এনামুল হকের (২৩) উইকেট হারিয়ে বসলেও দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে দারুণ দৃঢ়তা দেখান তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। দুজনে ৯৭ রানের জুটি গড়ে দলকে দারুণ ভিত গড়ে দেন।

আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান তামিম ৫৪ রান করেন এবং সাকিব টানা দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। তিনি করেন ৫৬ রান। এর পর তৃতীয় উইকেট জুটিতেও দারুণ খেলেন মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ। ৮৭ রানের জুটি গড়ে জয়ের একেবারে কাছাকাছি নিয়ে যান দলকে। মাহমুদউল্লাহ ৫১ বলে ৩৯ রান করেন। কিন্তু মুশফিক ৬৭ বলে ৬৮ করে সাজঘরে ফিরে বাংলাদেশ শেষ ওভারে গিয়ে আর পারেনি। হেরে হতাশ হতে হয় দলকে।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিকরা চ্যালেঞ্জং সংগ্রহ গড়ে। শিম্রন হ্যাটমিয়ার দারুণ সেঞ্চুরির ওপর ভর করেই প্রতিপক্ষের সামনে ছুড়ে ২৭২ রানের লক্ষ্য। দলীয় মাত্র ২৯ রানের মাথায় ওপেনার এভিন লুইসের উইকেট হারিয়ে বসলেও চার

নম্বরে ব্যাট করতে নামা হ্যাটমিয়ার দারুণ দৃঢ়তা দেখিয়েই মূলত দলকে এই সংগ্রহ এনে দেন। ৯৩ বলে ১২৫ রানের দারুণ একটি ইনিংস খেলনে তিনি। যাতে তিনটি ছক্কা ও সাতটি চারের মার ছিল।
এ ছাড়া পাওয়েল ৪৪, গেইল ২৯ ও হোপ ২৫ রান করে দলের এই চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ গড়তে রাখেন মূল্যবান অবাদান।

পেসার রুবেল হোসেন ৬১ রানে তিনটি এবং মুস্তাফিজুর রহমান ৪৪ ও সাকিব আর হাসান ৪৫ রানের দুটি করে উইকেট নিয়ে কিছুটা বাধা হয়ে দাঁড়ান প্রতিপক্ষের এগিয়ে যাওয়ার পথে। এ ছাড়া মাশরাফি ও মিরাজ পান একটি করে উইকেট।

পুরোনো সংবাদ

খেলাধুলা 6145721163244245994

অনুসরণ করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Logo

ফেকবুক পেজ

কৃষিকথা

আপনি যা খুঁজছেন

গুগলে খুঁজুন

আর্কাইভ থেকে খুঁজুন

ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুঁজুন

অবলোকন চ্যানেল

item